Agnimitra-Dilip: ‘কে কোথায় যাচ্ছে, আগ্রহী নই’, বললেন অগ্নিমিত্রা, ‘কিছু লোক’ বলতে কাদের বোঝালেন দিলীপ ?
Agnimitra Paul Dilip Ghosh Reaction: বিধানসভা ভোটে তৃণমূল হারা মাত্র, তৃণমূলের সাংসদদের একাংশের হঠাৎ করে বন্ধু হয়ে যাওয়াটা কি আদৌ ভাল চোখে দেখছেন বিজেপির সবাই? মুখ খুললেন দিলীপ -অগ্নিমিত্রা

অর্ণব মুখোপাধ্য়ায়, রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: NCPI সাংসদরা দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্য়মন্ত্রী...সবার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন। কিন্তু, এই বৈঠককে কি আদৌও গুরুত্ব দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির আদি নেতা কিংবা মন্ত্রীরা? অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, 'কে ঢুকছে, কে বেরোচ্ছে, কে বৈঠক করছে-এসবে তিনি আগ্রহী নন।'দিলীপ ঘোষ আবার বলছেন, 'যার ভূত নেই, তার আবার ভবিষ্যৎ কী? '
আরও পড়ুন, 'কালীঘাট তৃণমূল', NCPI নাকি 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ? কোন শিবিরে শ্যামপুকুরের শশী পাঁজা?
সোমবার থেকে মঙ্গলবার।এই তিনটে ছবিই বলে দিচ্ছে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক এখন গাঢ়। (বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ)NCPI সাংসদ জুন মালিয়া বলেন, বৈঠক খুব ভাল ছিল এবং ফলপ্রসু হয়েছে। (বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ) NCPIসাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা অনেকদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম, যে আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটু বসব।' (বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ) NCPI সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, আমি কালকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট ছিলাম রাতে। সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ১০ পর্যন্ত।
নরেন্দ্র মোদি থেকে শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-বৈঠকের উচ্ছ্বসিত। বেজায় খুশি।কিন্তু NCPI সাংসদরা দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্য়মন্ত্রী, সবার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করলেও, এই বৈঠককে কি আদৌও গুরুত্ব দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির আদি নেতা কিংবা মন্ত্রীরা? বিজেপি বিধায়ক পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, সত্যি বলতে কী, আমি খুব একটা আগ্রহী নই। মানে কে ঢুকছে, কে বেরোচ্ছে, কে যাচ্ছে, কে বৈঠক করছে। কে কোথায় যাচ্ছে, কে অন্য দলে যাবে, কে আরেকটা দল তৈরি করবে, কে আবার নতুন একটা লোগো ডিজাইন করছে, আমাদের সত্যিই সময় নেই। পঞ্চায়েতমন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলেন, যার ভূত নেই, তার আবার ভবিষ্যৎ কী? এই সব বৈঠক-মিটিং রাজনীতি চলতেই থাকে। রেজাল্ট দেখুন কী হয়। এগুলো রোজ পাল্টাবে। কার সঙ্গে আছে, কার সঙ্গে নেই, কিছু লোক।
গত লোকসভা ভোট কিংবা বিধানসভা ভোটেও যাঁরা ছিলেন যুযুধান পক্ষ। একে অপরের রাজনৈতিক শত্রু, আজ তাঁরা হঠাৎই বন্ধু। বৈঠক করছেন। প্রশংসা করছেন। আচমকাই শত্রু থেকে মিত্র হয়ে গেছেন। রাজনীতিতে সবই সম্ভব! কিন্তু বিধানসভা ভোটে তৃণমূল হারা মাত্র, তৃণমূলের সাংসদদের একাংশের হঠাৎ করে বন্ধু হয়ে যাওয়াটা কি আদৌ ভাল চোখে দেখছেন বিজেপির সবাই?






















