Janatar Darbar: পৈতৃক বাড়ি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট, জয় কামদার, শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস, সোনা পাপ্পুর নামে অভিযোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর 'জনতার দরবারে' হাজির বৃদ্ধ
CM Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে আসা বৃদ্ধের অভিযোগ, পৈতৃক বাড়ি দিয়েও ফ্ল্যাট পাননি তিনি। উল্টে তাঁর থেকে ১৭ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে।

কলকাতা : ফ্ল্যাট তৈরির জন্য পৈতৃক ভিটে দিয়েছিলেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে। তাঁর সঙ্গেই ছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস, সোনা পাপ্পুরা। কিন্তু ফ্ল্যাট তৈরির পর তা হস্তান্তর করা হয়নি, এই অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর 'জনতার দরবারে' এসেছিলেন প্রবীর মুখোপাধ্যায় নামের এক প্রবীণ। অভিযোগ জানাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, এই বৃদ্ধের বাড়ি ভবানীপুরে।
বৃদ্ধের অভিযোগ, তিনি তাঁর পৈতৃক ভিটে প্রোমোটারকে দিয়েছিলেন নতুন করে রেনোভেট করে হ্যান্ডওভার করার জন্য। অন্যরা যেমনটা করে দেয়, তেমনই। বৃদ্ধের অভিযোগ, 'সেই প্রোমোটার যে একজন বিখ্যাত শয়তান সেটা বুঝতে পারিনি। তার নাম হচ্ছে জয় কামদার। ওই জয় কামদারের সঙ্গে ছিল পুলিশ অফিসাররা। তার মধ্যে ছিল শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। আর ছিল সোনা পাপ্পুরা। আমাদের থেকে লিখিতভাবে সবকিছু নিয়েছিল। আমরা আরও ভাইবোন আছি। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই তাই। ভাল করে সব বুঝিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে ফ্ল্যাট তৈরি হওয়ার আমাদের প্রত্যেককেই প্রতারিত করেছে। আমাদের ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি। উল্টে ১৭ লক্ষ টাকা দাবি করছে। এমনকী বন্দুক দেখিয়ে আমায় ভয় দেখানো হয়েছে যাতে আমি আর কিছু না বলি। আমি আমার মাথার ছাদটা চাইছি। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছি।'
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই জয় এস কামদার, শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এবং সোনা পাপ্পু - এই তিনজনকেই গ্রেফতার করেছে ইডি। একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, জমি হাতিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে সম্পত্তির মালিককে ভয় দেখানো এবং আরও অনেক অনৈতিক, বেআইনি কাজকর্মের একটা চক্র চালাত এই তিনজন। আপাতত ইডি তাদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।
TMC নেতা রাজু নস্করের আরও ২ বহুতলে পুরসভার নোটিস, প্রোমোটার ঘনিষ্ঠকে সামনে পেয়েই চলল চড়-থাপ্পড়
গ্রেফতার হওয়া বেহালার TMC কাউন্সিলরের নামে আরও ৩ মামলা রুজু পুলিশের
আজ জনতার দরবারে মানুষের কথা শুনছেন মুখ্য়মন্ত্রী। সল্টলেকে রাজ্য বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছেছেন তিনি। ভিতরে মুখ্যমন্ত্রী, বাইরে উপচে পড়া ভিড়। কয়েকশো চাকরিপ্রার্থী জড় হয়েছেন সল্টলেকে। আসার পরে সকলকে পরিচয়পত্র দিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করাতে হচ্ছে। সমস্যা উল্লেখ করে, সেই সম্পর্কিত নথি জমা দিতে হচ্ছে রেজিস্ট্রেশনের সময়। তারপরে টোকেন দিয়ে অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে সকলকে। টোকেন নম্বর অনুযায়ী ডাকা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য। সেই অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করছেন সকলে। 'যোগ্য' চাকরিহারা, বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে নিজেদের সমস্যা জানাতে এসেছেন বহু সাধারণ মানুষ।





















