Darjeeling: জিটিএ ভোটের আগে চাই পাহাড় সমস্যার সমাধান, অনশনে গুরুংপন্থী মোর্চা
Darjeeling Update: সংগঠনের দাবি, জিটিএ-নির্বাচনের আগেই পাহাড়-সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। মোর্চার দাবিকে সমর্থন করেছেন কার্শিয়াঙের বিজেপি বিধায়ক।

মোহন প্রসাদ, সনৎ ঝা ও রঞ্জিৎ হালদার, দার্জিলিং ও কলকাতা: আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই কাজেই নেমে পড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। সোমবার থেকে সিংমারিতে প্রতীকী অনশন শুরু করল তারা। সংগঠনের দাবি, জিটিএ-নির্বাচনের আগেই পাহাড়-সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। মোর্চার দাবিকে সমর্থন করেছেন কার্শিয়াঙের বিজেপি বিধায়ক। পাশাপাশি পৃথক রাজ্যের দাবি জানিয়ে ফের বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন বিধায়ক।
পাহাড়-সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে, এটাই মূল দাবি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার। তার আগে কোনওভাবেই জিটিএ নির্বাচন করা যাবে না। তার জন্যই অনশন। মোর্চার এই দাবিকেই সমর্থন জানিয়েছেন কার্শিংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা।
জিটিএ নির্বাচন:
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিটিএ নির্বাচনের কথা বলেছিলেন। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে তিনি চান যাতে জিটিএ নির্বাচন হয়ে যায়। এরপরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তাদের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, পাহাড়-সমস্যার স্থায়ী সমাধান না করে জিটিএ-নির্বাচন হলে, তারা অনশনের পথে হাঁটবে। তৃণমূলের সঙ্গে গুরুংপন্থী মোর্চার সম্পর্ক সাম্প্রতিক অতীতে ভাল ছিল। কিন্তু, সেই মোর্চাই সোমবার থেকে সিংমারির পার্টি অফিসের সামনে প্রতীকী অনশন শুরু করল। বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা রোশন গিরি। বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফেও। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, 'মমতার সরকার পাহাড়ের ছবিটা পাল্টেছে। উন্নয়ন হচ্ছে। মানুষ শান্তিতে আছে। আলাদা কিছু বলার থাকলে, সরকারকে বলুক।'
ফের বিতর্ক:
এর মধ্যেই বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। ফের একবার পাহাড়কে পৃথক রাজ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, 'আমরা যে ভোটে জিতে এসেছি, সেই জনমতটা GTA-র বিরুদ্ধে জনমত। পাহাড়ের লোক GTA চায় না। আমি সেপারেশনের পক্ষে আছি। আগে বাংলা ভাগ চাই আমি। আমাদের পিপিএসের মানে হচ্ছে সেপারেশন।'
তৃণমূলের তোপ:
কুণাল ঘোষ বলেন, 'একবছর আগে দিল্লির নেতারা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেছেন। তখন তো বলতে পারতেন, জিতলে বাংলা ভেঙে দেব। যা করছে, বাংলার মানুষ আবার প্রত্যাখ্যান করবে। বাংলা ভাগ হবে না।'
শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের দাবি, 'ব্যক্তিগত মত। রাজ্য কমিটি কখনও এমন বলেনি। দীর্ঘস্থায়ী সমাধান চাই'।
আরও পড়ুন: সময়ের আগেই আন্দামান সাগরে ঢুকল বর্ষা, বাংলায় কবে আসছে?
Before You Go
WB Assembly News | বিধানসভায় পাশ গুন্ডা দমন বিল । পক্ষে ১৭৬, বিপক্ষে ৪১, ভোটাভুটিতে বিরত ২০






















