Dilip Ghosh: 'কাউন্সেলিং চলত, ওকে ঠিক করার চেষ্টা চলছিল', রিঙ্কু-পুত্রের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য বেদনাহত দিলীপের
Dilip Ghosh on Rinku Majumdar Daughter: রিঙ্কু দিলীপ ঘোষকে বিয়ে করে চলে আসার পরে কি অযত্ন হয়েছিল ছেলে প্রীতমের?

কলকাতা: বিয়ে হয়েছে এক মাসও হয়নি, এর মধ্যেই দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) আর রিঙ্কু মজুমদারের (Rinku Majumdar)। তার মধ্যেই দুঃসংবাদ তাঁদের জীবনে। মঙ্গলবার অর্থাৎ গতকালই হঠাৎ রহস্যজনকভাবে মারা গিয়েছেন রিঙ্কু মজুমদারের পুত্র। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে প্রীতম দাশগুপ্ত ওরফে সৃঞ্জয়ের মৃতদেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট। সেখানে রয়েছে, আত্মহত্যা করেননি প্রীতম, তাঁর শরীরে একাধিক অস্বাভাবিকত্ব ধরা পড়েছে। আর সেই সমস্ত কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আর আজ সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রিঙ্কু মজুমদারের ছেলের বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ।
এদিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'সকালবেলা খবর আসে, তখন ওর মা (রিঙ্কু মজুমদার) রান্না করছিল। হঠাৎ খবর পেয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে, তারপরে বেরিয়ে যায়। আমার একটা ছেলে ছিল, সঙ্গে পাঠাই। গিয়ে দেখে, ও (প্রীতম) অজ্ঞান। সেখান থেকে ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। তারপরে সব সরকারি নিয়মনীতি হয়। ময়নাতদন্ত হয়। এবার যতক্ষণ না ময়দাতদন্তের সম্পূর্ণ রিপোর্ট আমাদের হাতে আসছে, ততক্ষণ অবধি বোঝা যাচ্ছে না। বন্ধুবান্ধব নিয়ে একসঙ্গে ছিল, রাতে পার্টি করেছে জানি।'
রিঙ্কু দিলীপ ঘোষকে বিয়ে করে চলে আসার পরে কি অযত্ন হয়েছিল ছেলে প্রীতমের? সেই কারণেই কি উৎশৃঙ্খল হয়ে উঠেছিলেন তিনি? দিলীপ ঘোষ বলছেন, 'না না.. বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ছিল তো। একা তো ছিল না। কয়েকদিন আগে ওর মা ও গিয়ে থেকে এসেছে। এইভাবেই তো চলছিল। তবে যে সমস্যাটার কথা বলা হচ্ছে, ড্রাগ বা ইত্যাদি.. সমস্যা আগের থেকেই ছিল। শুনলাম ওর কাউন্সেলিং চলছিল, চিকিৎসক ছিল। চেষ্টা চলছিল ঠিক করার ওকে। কিন্তু হঠাৎ করে এমন মৃত্যু হল কেন? আর একা তো ছিল না ও, বন্ধুরা ছিল। কেন হল সেটা বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। একজন তরতাজা যুবক, সবদিক থেকে ভাল.. আজকে আমরা যুবসমাজের মধ্যে নেশার যে প্রভাব দেখছি, তার এটা একটা নমুনা। কী হয়েছে, কী নেশা নিয়েছে কি না.. সে তো কিছুই বলতে পারেনি, তার আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। আগামীদিনে সবটা বেরবে। তবে এটা আমাদের জন্য একটা বড় শিক্ষা। আগামীদিনে, আমাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে.. তাকে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করে দিলাম, সে চাকরি পেয়ে গেল এটাই সব নয়। তারপরেও তার মধ্যে এতবড় একটা বিষয় থাকছে।'






















