Dilip Ghosh : 'মন্ত্রী তো হতেই হবে' এখনই নিশ্চিত দিলীপ ! সিট কি তবে ঠিক হয়ে গিয়েছে? বিজেপির অন্দরের কী খবর?
মোদি সরকারের আমলে সাংসদ হওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু দিলীপ ঘোষকে তা করা হয়নি। এবার কি বিধানসভা ভোটে দিলীপ ঘোষের প্রার্থী হওয়া পাকা? হলে, কোথা থেকে হবেন?

সুজিত মণ্ডল, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে জিতে খড়গপুর সদরের বিধায়ক হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। বিধায়ক থাকতে থাকতেই ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে জিতে মেদিনীপুর থেকে সাংসদ হন। তৃণমূল জমানায় তাঁর মন্ত্রী হওয়ার কোনও সুযোগ ছিল না। কিন্তু, মোদি সরকারের আমলে সাংসদ হওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু দিলীপ ঘোষকে তা করা হয়নি। এবার কি বিধানসভা ভোটে দিলীপ ঘোষের প্রার্থী হওয়া পাকা? হলে, কোথা থেকে হবেন?
দল জিতলে মন্ত্রী হওয়াও কি পাকা হয়ে গেছে? এই প্রশ্নই উঠছে এখন দিলীপের প্রত্যয়ী কণ্ঠস্বর ও দাবি শুনে। রানাঘাটের সভা থেকে বেশ জোরের সঙ্গেই মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু রাজ্যে বিজেপি কি ক্ষমতায় আসবে? তা নিয়ে কতটা নিশ্চিত বিজেপি হাইকমান্ড?
বেশ কিছুদিন রাজনীতির চৌহদ্দি থেকেই যেন সরে গিয়েছিলেন। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর উপস্থিতি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ যেন দলের অন্দরে ঝড় তুলেছিল। এই ঘটনার পর অনেকটাই যেন ফারাক বেড়ে যায় দলের সঙ্গে দিলীপের। অবশেষে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর রানাঘাটের সভায় মন্ত্রী হতে চাইছেন দিলীপ ঘোষ, তাও জোর গলায়। এ কথা বলাই বাহুল্য, এখনও পর্যন্ত বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে সফল রাজ্য় সভাপতি । কিন্তু এখন না সাংসদ, না বিধায়ক তিনি। শুধুই পার্টি কর্মী। এখন ফের মঞ্চে ফিরে একেবারে স্বমহিমায় ধরলেন ব্যাট। এখন তিনি বিধানসভা ভোটে কোথা থেকে দাঁড়াবেন, তা নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অমিত শাহের বৈঠকের পর দিলীপ ঘোষের প্রত্য়াবর্তনে তাঁর অনুগামীরা বেজায় খুশি হলেও, নানা মহল থেকে কটাক্ষও ধেয়ে আসছে! এই আবহেই মঙ্গলবার রাণাঘাটের সভামঞ্চ থেকে দিলীপ ঘোষ যে দাবি করলেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গেছে।
দিলীপ ঘোষের অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে, দল তাঁকে জেতা আসন মেদিনীপুরের বদলে বর্ধমান-দুর্গাপুর ছেতে টিকিট দিয়েছিল।
কিন্তু তৃণমূলের কীর্তি আজাদের কাছে তাঁকে হেরে যেতে হয়। এবার বিধানসভা ভোটে কোন আসন দিলীপ ঘোষের পছন্দ? তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছেন, খড়গপুর তাঁর শক্ত ঘাঁটি। তা নিয়ে আবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সেখানকার বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
এ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের কটাক্ষ, 'ও তো এতদিন সাংসদ ছিল, এখন নয়, কী করে মন্ত্রী হবে? আর জিতবে না তো। যখন সাংসদ ছিলেন, তখন কেন মন্ত্রী হওয়ার কথা বলেননি?' আপাতত আগে ভোট দাঁড়িয়ে জিততে হবে দিলীপ ঘোষকে।






















