East Burdwan: মঙ্গলকোটে গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন, উদ্ধার বস্তাবন্দি দেহ
East Burdwan News: পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে যে প্রতিবেশী এক যুবক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সেই মহিলাকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ পরিবারের।

পূর্ব বর্ধমান: মঙ্গলকোটে গৃহবধূ খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকা জুড়ে। সেই মহিলার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বস্তায় বন্দি করে সেই গৃহবধূর বিবস্ত্র দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। যা উদ্ধার হয়েছে। সেই মহিলাকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে পরিবারের তরফে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে মহিলার মুখে ও দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে যে প্রতিবেশী এক যুবক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সেই মহিলাকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ জানিয়েছে পরিবার।
কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশ থেকে একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। উত্তরপ্রদেশের হমীরপুর থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছিল। স্ত্রী রীতা নিখোঁজ বলে থানায় অভিযোগ জানিয়েছিল অমর সিংহ। জিজ্ঞাসাবাদে তার কথায় অসঙ্গতি পায় পুলিশ। তাতেই অমরের উপর সন্দেহ বাড়তে শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন তাকে চেপে ধরা হয়। তাতেই সত্য সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছিল সেই ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর যে জিজ্ঞাসাবাদে একটা সময় পর ভেঙে পড়ে অমর। স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করে নেয় সে। জীবনবিমার টাকা হাতিয়ে নিতে তিন জনের সঙ্গে মিলে স্ত্রীকে হত্যার ছক কষেছিল সে। সেই মতো লাঠি এবং হকি স্টিক দিয়ে পেটানো হয়। মারা যাওয়ার পর স্ত্রীর উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয় তারা। তদন্তে নেমে বুধবার রাতে বৈঠক ধাম মন্দিরের কাছ থেকে রীতার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রিপোর্ট এলে দেখা যায়, রীতার শরীরে ১২টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মারধরের ফলে কিডনি ছাড়া শরীরের ভিতরের অঙ্গগুলি সবই নষ্ট হয়ে যায় তাঁর।
রীতার বাবা সর্বেশ কুমার জানিয়েছিলেন, গত ২০০২ সালে প্রথমে মইনপুরীতে মেয়ের বিয়ে দেন তিনি। তিন মেয়ে এবং এক ছেলে হয় রীতার। প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর কানপুরের গুজাইনিতে চলে আসেন রীতা। সেখানেই অমরের সঙ্গে আলাপ এবং ঘনিষ্ঠতা। আটার কারখানায় কাজ করতেন অমর। বাড়িতে মা ছাড়া আর কেউ ছিল না। বছর দুয়েক আগে অমরের সঙ্গে বিয়ে হয় রীতার। সর্বেশ জানিয়েছেন, মাস দুয়েক আগে রীতার নামে ৪৪ লক্ষ টাকার বিমা করান। প্রথম কিস্তি হিসেবে ২.৬০ লক্ষ টাকা জমা দেন। আগে থেকেই রীতাকে খুনের পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।























