Humayun Kabir: পিছিয়ে গেল 'বাবরি যাত্রা', অনুমতিই চাননি হুমায়ুন কবীর ! দাবি পুলিশের
Babri Yatra: মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে শুরু হয়েছে হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ।

পার্থ প্রতিম ঘোষ, মুর্শিদাবাদ : বাবরি যাত্রা নিয়ে কোনও অনুমতিই চায়নি হুমায়ুন কবীর, দাবি পুলিশের। 'কাল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, কোনওরকম অনুমতি চাওয়া হয়নি'। 'পুলিশ-প্রশাসনের থেকে কোনওরকম অনুমতি চাওয়া হয়নি', দাবি মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলার পুলিশ প্রশাসনের। 'পলাশি থেকে ইটাহারের বদলে কাল পলাশি থেকে রেজিনগর পর্যন্ত মিছিল'। '৫০ হাজার লোক নিয়ে রেজিনগরে প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ পর্যন্ত মিছিল', বাবরি যাত্রার বদলে কাল ২২ কিলোমিটার মিছিলের ডাক হুমায়ুন কবীরের।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামীকাল থেকে 'বাবরি যাত্রা' শুরু করার কথা ছিল তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল হুমায়ুন কবীরের 'বাবরি যাত্রা'। দক্ষিণবঙ্গ থেকে শুরু হয়ে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল এই যাত্রা-র। নদিয়ার পলাশি থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ হয়ে এই যাত্রা যাওয়ার কথা ছিল উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার পর্যন্ত। মোট ১৭৫ কিলোমিটার রাস্তা পেরনোর কথা ছিল হুমায়ুন কবীরের 'বাবরি' যাত্রা- র। তবে এই বাবরি যাত্রা পিছিয়ে গিয়েছে।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে শুরু হয়েছে হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ। সকাল থেকেই এলাকায় সাজো সাজো রব। ভোটের আগে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে চড়ছে রাজনীতির পারদ। ইট গেঁথে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণের সূচনা সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়কের। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর, রেজিনগরে 'বাবরি মসজিদ'-এর শিলান্যাস করেছিলেন হুমায়ুন। মসজিদ নির্মাণে মোট ৫০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা খরচ হবে, দাবি হুমায়ুনের। হুমায়ুন কবীরের দাবি, ২ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার এগ্রিমেন্ট করেছে কেরলের নির্মাণকারী সংস্থা। আজ থেকে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে শুরু হয়েছে হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ। ভোটের আগে তা নিয়ে চড়ছে রাজনীতির পারদ। ইট গেঁথে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণের সূচনা করেছেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্য়ায় ভেঙে ফেলা হয়েছিল বাবরি মসজিদ। সেই ঘটনার ৩ দশকেরও বেশি সময় পর ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর, মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে 'বাবরি মসজিদ'-এর শিলান্যাস করেন তিনি। জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের দাবি, মসজিদ নির্মাণে মোট ৫০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা খরচ হবে। ইতিমধ্য়েই মাটি পরীক্ষার কাজ হয়ে গেছে। আজ নির্মাণকাজ শুরুর দিন, প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জমিতে হবে নমাজ পাঠ। হবে কোরান পাঠও। হুমায়ুন কবীরের দাবি, কেরলের যে নির্মাণ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা ২ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার এগ্রিমেন্ট করেছে।























