Humayun Kabir: "হুমায়ুনের মাথা খারাপ হয়ে গেছে..", কটাক্ষ সৌগতর, তবে অন্য তত্ত্ব সামনে আনছেন এই BJP নেতা !
Sougata Rahul On Humayun Kabir On TMC : ২৬-র ভোটের আগে হুমায়ুনকে বিস্ফোরক রাহুল সিনহা, কী বলছেন সৌগত ?

কলকাতা: মাদক মামলায় বাজেয়াপ্ত হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরের সম্পত্তি। প্রতিহিংসার তত্ত্ব ভরতপুরের বিধায়কের। গুরুত্বই দিচ্ছে না শাসক দল। হুমায়ুন কবীরের মাথায় গন্ডোগোল আছে, ও কী পার্টি করবে আমি জানি না। ভোটে কোনও প্রভাবই ফেলতে পারবেন না, কটাক্ষ তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের।
আরও পড়ুন, "অন্তঃসারশূন্য বাজেট ! নেই বাংলার উল্লেখ", কেন্দ্রকে নিশানা অভিষেকের, শিল্প নিয়ে কী বার্তা ?
এদিকে, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এবং হুমায়ুন কবীরের মধ্যে যে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা) আছে, তৃণমূলের ছকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছকে, যে হুমায়ুন কবীর কাজ করছে, এটা মোটামুটি জনসমক্ষে চলে এসেছে। মানুষ আর হুমায়ুন কবীরের এই আন্দোলনকে বিশ্বাস করছে না। যে কারণে সেই বিশ্বাসকে আরও অটুট করার জন্য, তার শ্বশুরবাড়িতে সম্পত্তি আটকানো হল। "
হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরের নামে থাকা জমি হুমায়ুন কবীরের জামাইয়ের নামে থাকা জমি-বাড়ি এবং মেয়ে-জামাইয়ের নামে থাকা আমবাগান-সহ মোট আটটি সম্পত্তি এখনও পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করছে পুলিশ।মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার বলেন, আমরা মোট ১৪টি সম্পত্তি ফ্রিজ করার নির্দেশ পেয়েছি, স্থাবর সম্পত্তি। এছাড়া ১৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং দুটো গাড়ি আমরা সিজ করার জন্য এবং ফ্রিজ করার জন্য আমরা অর্ডার পেয়েছি।
হুমায়ুন কবীর বলেন,এটা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ২২শে ডিসেম্বর দল করার পর থেকে আমার ওই আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি মাপ-ঝোঁক করা, তাঁদের ছবি তোলা, তাঁদের অ্যাসেসমেন্ট করা, করে ১৫ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬০ হাজার ৫৯৭ টাকার অ্যাসেসমেন্ট করে সেন্ট্রাল যে ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট অর্থ দফতরের কলকাতায় যে অফিস তাদের কাছে পাঠিয়েছিল। এদিন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবীর বলেন, SP আবার আমাকে খুন করার জন্য ঠিকা নিয়ে এসেছে, আমি রাস্তায় গাড়িতে যাতায়াত করি, সেটা ২ জন সুপারি কিলারকে SP বরাত দিয়েছে, যে হুমায়ুন কবীরকে গাড়ি দুর্ঘটনা করিয়ে খুন করিয়ে দিতে হবে।
পুলিশ সূত্রে দাবি, ২০২৫ সালের মার্চে লালগোলা থানায় এই মাদক মামলা হয়। হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুর ও তাঁর ভাইয়ের নামে হয় এই মাদক মামলা। মাদক চোরা চালানের থেকে পাওয়া টাকা দিয়ে কী করা হয়েছে, তার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। শুরু হয় আর্থিক অনুসন্ধান। খতিয়ে দেখা হয় হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির গত ৬ বছরে সম্পত্তি। সেখানেই অসঙ্গতি মেলে বলে দাবি পুলিশের। এনিয়ে আদালতে রিপোর্টও জমা পড়ে। মাদকের টাকা দিয়ে এই সম্পত্তি করা হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ।শুনানির পর ১০ কোটি ৭৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার সম্পত্তি ও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দেয় আদালত।
দিলীপ ঘোষ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ যেটা করে, সেটা বেশিরভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে করে। যদি অন্যায় করে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কিন্তু হুমায়ুন কবীর প্রশ্ন তুলেছেন, আওয়াজ তুলেছেন সরকারের বিরুদ্ধে বলে তাঁর পরিজনের বিরুদ্ধে পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়বে, এটা গণতন্ত্রের মধ্যে হতে পারে না।























