ED Raid On IPAC : IPAC অফিসে ইডি-র হানা কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে এ কোন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করালেন ? কেন 'ফিরহাদ' ও 'রাজীব কুমারের' নাম টানলেন শমীক
Samik Attacks Mamata: ED-র রেড নিয়ে সরাসরি অমিত শাহকে নিশানা করলেন মুখ্য়মন্ত্রী, পাল্টা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করালেন শমীক

কলকাতা: আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে ED-র রেড নিয়ে সরাসরি অমিত শাহকে নিশানা করলেন মুখ্য়মন্ত্রী। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দিলেন, বিজেপি অফিসে রেড করার। পাল্টা সুর চড়াল বিজেপিও। মুখ্যমন্ত্রীকে বড় প্রশ্নের সামনে দাঁড় করালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুন, ".. হার নিশ্চিত' ! IPAC অফিসে ইডি-র হানায় বিস্ফোরক মদন
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'কোন দফতরে তদন্ত চলছে, সেখানে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে, এইভাবে হস্তক্ষেপ করছেন, এই নিয়ে এটা তিনবারের ঘটনা ঘটল। রাজীবকুমারের ক্ষেত্রে একবার হয়েছে, তিনি ধর্না দিয়েছিলেন। এভাবে কাড়াকাড়ি করেননি ! তারপরে ফিরহাদ হাকিমের ক্ষেত্রে তিনি সেখানে অবস্থান করেছেন। ..রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে একটি অফিসের মধ্যে ঢুকে গিয়ে, সেটাকে দলীয় কার্যালয় হিসেবে স্থির করে দিলেন। তাহলে তৃণমূল মানে কি ? এটা কি রাজনৈতিক দল ?! ইডি কেন হানা দিয়েছে, কেন তদন্ত নেমেছে, এটা সম্পূর্ণ ইডির ব্যাপার। আমার ইডির মুখপাত্র নই। আমরা তো দলের পক্ষ থেকে বারবার বলেছি, ইডি সিবিআই এর অফিসে তালা লাগিয়ে দিলেও, পশ্চিমবঙ্গের আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাবে। একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিনি সরাসরি একটি সরকারি তদন্তকারী সংস্থার, একটি ফৌজদারি তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করলেন। এটা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত। অপরাধীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা, তথ্য প্রমাণ লোপাট। এবার তার সঙ্গে এই পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস যে সম্পৃক্ত হয়ে আছে, এই দুর্নীতি থেকে যে কোনওভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না, এই ফাইল এবং হার্ডডিস্ক নিয়ে চলে যাওয়া, সেই ঘটনাটাই জনমনে প্রতিষ্ঠিত করবে। ..আজকে মুখ্যমন্ত্রীর, এই অফিসে হঠাৎ হানা দেওয়ায়, একদম সিলমোহর লাগিয়ে তিনি চলে গেলেন। '
অপরদিকে, শুভেন্দু বলেন, I PAC কি পার্টি অফিস নাকি? I PAC একটা কর্পোরেট সংস্থা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তদন্ত করবে, তারা দেখিয়ে দেবে কাগজপত্র। তাদের রিটার্ন ফাইল সবকিছু পরিষ্কার আছে। পরিষ্কার থাকলে তো, সবার অফিস বাড়ি তল্লাশির পরে তো গ্রেফতার হয় এমন তো নয়। ফেস করবে। ED হানা দেওয়ার প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মাথায় সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুতলের বেসমেন্ট দিয়ে ঢুকে লিফটে সোজা ১২ তলায় চলে যান তিনি। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সামনে আসে এই ছবি। এত ফাইল মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির পিছনে তুলতে দেখা যায়।






















