Jadavpur University: ভয়াবহ অভিজ্ঞতা যাদবপুরের ছাত্রীর, “রাত ১১ টা বাজে তখন..ভয়ে অরবিন্দ ভবনের ভিতরে চলে যাই”
Jadavpur University Violence ABVP SFI Clash: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক কী হয়েছিল, বারবার এরকম ঘটনা ঘটছে কেন ? মুখ খুললেন যাদবপুরের এক ছাত্রী..

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: যাদবপুরকাণ্ডের পর ABVP-র মিছিল ঘিরে তুলকালাম। গতকাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর রাতে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। ABVP-র সঙ্গে SFI-সহ একাধিক বাম ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষ হয়। ৬-৭ জন সমর্থক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ ABVP-র। গতকালের ঘটনার পর, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেও, একটা মিছিল করার প্রস্তুতি শুরু হয়। মূলত বামপন্থী ছাত্ররা এসে এই মিছিলের ডাক দিয়েছেন। রাস্তায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এবং এই গোটা বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বৈঠক করছে। এবং তাঁরা একটা তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং তদন্ত কমিটি ঘটনের পাশাপাশি গোটা বিষয়টা, রিপোর্ট রাজভবন এবং রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে, এমনটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বারবার এরকম ঘটনা ঘটছে কেন ? তা নিয়ে একটা প্রশ্ন উঠছেই। এবিপি আনন্দ-র মুখোমুখি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী, যিনি মূলত এই ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শী, ভোর ৫ টা বাড়ি গিয়েছেন, কার্যত এই ঘটনা আটকে ছিলেন বলে জানিয়েছেন।
এবিপি আনন্দ: রাজনৈতিক যে বচসা, বচসা থেকে মারামারি, বহিরাগতরা এসে এইভাবে তাণ্ডব চালাল বলে অভিযোগ, আপনি অরবিন্দ ভবনে ছিলেন বলে জানাচ্ছিলেন, কী হয়েছিল ঘটনাটা ?
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী: রাত ১১ টা বাজে তখন, আমাদের কিছু বন্ধু হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাঁদেরকে দেখতে কিছুজন যায়। আমরা অরবিন্দ ভবনে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এবং আমরা হঠাৎ করে শুনতে পাই যে, প্রচুর লোকজন, থানা-৮বি এগুলি ঘিরে আছে। এবং তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকছে, বন্ধুরা ফোন করে জানায়। সেই সময় আমরা ভয় পেয়ে অরবিন্দ ভবনের ভিতরে চলে যাই। প্রায় ২০০-৩০০ মত লোকজন অন্ততপক্ষে হবে। তাঁরা আসে। আগুন জ্বালায়। অরবিন্দ ভবনে তালা লাগিয়ে দেয় গার্ডরা। আমরা ভিতরে ঢুকে যাই।স্বাভাবিকভাবেই এথ লোকজন ছিল, আমরা মাত্র ২০-৩০ জন ছিলাম ভিতরটায়। আমরা ভয় পাই সেই জায়গা থেকে। এবং তালা লাগানো হয়। ওরা বাইরেটায় আগুন জ্বালায় প্রথমে। তারপর পতাকা পোড়াতে থাকে। ডান্ডা খুলে আমাদের দিকে ছুড়ে মারে। আগুনের ফুলকি…
এবিপি আনন্দ: অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেননি ?
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী: হ্যাঁ অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনোরকম উত্তর পাওয়া যায়নি। আমরা অধ্যাপকদের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। অধ্যাপকরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। পুলিশও কোনওরকম কোনও তৎপরতা দেখায়নি। এবং আরও ভয়ানক বিষয়, গার্ড যারা ছিলেন গেটে, কোনও গার্ডকে অকুস্থলে দেখা যায় না। আমরা নিজেরা ঢুকতে পারি না ক্যাম্পাসে, জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিনা ? সেখানে গোটা ৩০০-৪০০ জন ঢুকে যায়, যাদের কেউ স্টুডেন্ট নয়।
Before You Go
Blood Bank Scam: কোনওরকম অনিয়ম করা যাবে না, এক ডজন শর্তে দিতে হবে মুচলেকা





















