Kakoli Ghosh Dastidar: 'বিদ্রোহী সাংসদের সংখ্যা ২০ থেকে ২২ হতে চলেছে', দিল্লিতে বৈঠকের আগে বড় দাবি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের
Kakoli Ghosh Dastidar Reaction: দিল্লিতে 'বিদ্রোহী' সাংসদদের বৈঠকের আগে বড় দাবি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের

কলকাতা: 'বিদ্রোহী সাংসদের সংখ্যা ২০ থেকে ২২ হতে চলেছে', দিল্লিতে 'বিদ্রোহী' সাংসদদের বৈঠকের আগে বললেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি যে জায়গায় গেছিল...তার বিরুদ্ধে যাঁরা মত দিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছিল। তাঁর মধ্যে আরও কেউ কেউ বিদ্রোহী ব্লকে আসবেন। সংখ্যাটা ২০ বলেছিলাম, আসলে ২২', দিল্লিতে তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' ব্লকের বৈঠকের আগে বললেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
আরও পড়ুন, আজই দিল্লিতে বৈঠকে 'বিদ্রোহী'রা, বৈঠকে থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী
কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও বলেন,' আমাদের কোনও দাবি নেই। দাবি আবার কী হবে, দেশের ভাল করা, দেশের জন্য কাজ করা। এই পশ্চিমবাংলার বর্তমান পরিস্থিতি চার-পাঁচ বছর বিশেষ করে, যে জায়গায় গিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে, যারা মত দিচ্ছিলেন, সেই নিয়ে কথাবাত্রা হয়েছিল। এবং তার মধ্যে আরও আছে। ধরে নিন আরও দুই এক জন আসবেন। আমি যেটা ২০ বলেছিলাম, সেটা আসলে ২২। সুতরাং আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।'
সাতের দশকে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপ। তখন থেকেই তাঁর ছায়াসঙ্গী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বারাসাতের চার বারের সাংসদ। কিন্তু ভোটে দলের ভরাডুবি ও লোকসভায় পদ হারানোর পর সেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারই এখন বেসুরো।১৯৭৬ সালে, যোগমায়া দেবী কলেজে তখন কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৭৯ সাল থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র পরিষদ করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
ছাত্র রাজনীতির সময়কাল থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর আলাপ। দিনে দিনে যে সম্পর্ক ক্রমেই জোরদার হয়। ১৯৮৪ সালে যাদবপুরে সিপিএমের সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে লোকসভায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন থেকে কার্যত মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অন্যতম ছায়াসঙ্গী কাকলি। এই সম্পর্ক আরও জোরালো হয়, যখন ১৯৯৬ সালে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বিরুদ্ধে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কংগ্রেসে টিকিট প্রার্থী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৯৮ সালে তৈরি হয় তৃণমূল। ওই বছরেই (১৯৯৮) ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ান কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পরের বছর হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রে লড়েন তিনি।২০০১ সালে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে লড়েন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ২০০৫ সালের পুরভোটে কলকাতার ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে, কংগ্রেস প্রার্থী মালা রায়ের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূলের কাকলি। আর ২০০৯ থেকে টানা চারবার বারাসাত লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছেন তিনি। অর্থাৎ ১৯৮৪ থেকে ২০২৬, আক্ষরিক অর্থেই চার দশক ধরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে রয়েছেন তিনি।
Before You Go
Cooch Behar News: রাজ্যের পালাবদলের পর ফের কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা |ABP Ananda Live






















