Kali Puja 2025: দন্ডি কেটে এখানে মায়ের পুজো দেন ভক্তরা, পুরুলিয়ার মৌতড়ে মা বড়কালীর পুজোয় রেকর্ড ভিড়
Purulia Kali Puja 2025 : পুরুলিয়া জেলার মৌতড়ের জাগ্রত মা বড়কালীর পুজোতে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাপিয়ে উপচে পড়ল দর্শনার্থীদের ভিড়

হংসারাজ : মৌতড়ের জাগ্রত মা বড়কালীর পুজোতে সকাল থেকেই রেকর্ড সংখ্যায় উপচে পড়ল দর্শনার্থীদের ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পুণ্যার্থীদের ভিড়।
সোমবার কালীপুজোর দিন সকাল থেকেই পুরুলিয়া জেলার অতি প্রাচীন তথা রাজ্যের অন্যতম রঘুনাথপুর ২নম্বর ব্লকের মৌতড়ের জাগ্রত মা বড়কালীর পুজোতে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাপিয়ে উপচে পড়ল দর্শনার্থীদের ভিড়।এদিন সকালে থেকে মৌতড়ের মা বড়কালীর মন্দিরে ভিন রাজ্য ঝাড়খণ্ড বিহার সহ একাধিক রাজ্যের দর্শনার্থীরা মায়ের মন্দিরের অদূরে পুকুরে স্নান করে দন্ডি দিয়ে পুজো দেন। লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগমকে সামাল দিতে এদিন মন্দির প্রাঙ্গণে পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়।
আজ কালীপুজো। শক্তির আরাধনা। দিকে দিকে সাড়ম্বরে পূজিতা হবেন মা। সতীপীঠ থেকে সিদ্ধপীঠ, দেবী বন্দনায় মেতে উঠবে সমগ্র বাংলা। জগতে কল্যাণ এবং শান্তি স্থাপনের জন্য ভক্তরা দেবীর আরাধনা করেন। তিনি অসুখ বিনাশিনী। মহা শক্তিধর শুম্ভ-নিশুম্ভের হাত থেকে ত্রিলোককে রক্ষা করতেই দেবীর সৃষ্টি। নরমুণ্ডই দেবীর অলঙ্কার। যুদ্ধে পরাজিত সেনাপতিদের মুণ্ডের মালা মা কালীর কণ্ঠের শোভা। বলা হয়, পঞ্চাশটি মুণ্ডের এই মালা আসলে জ্ঞানের প্রতীক। যে সেনাপতি তাঁর চুল ধরে অপমান করেছিল, তাঁর মুণ্ড দেবী হাতে ধরে থাকেন। মৃত সেনাপতিদের হাতের পাতা দেবী কোমরে ধারণ করেন। শাস্ত্রমতে এই করতলও জ্ঞানের প্রতীক। ভুল করে স্বামী মহাদেবের গায়ে পা তুলে ফেলায় লজ্জিতা রণে উন্মত্ত দেবী।
গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দিরে প্রতিবারের মতো এবারও মায়ের সাড়ম্বর আরাধনা। মন্দিরে ভক্তদের ঢল। নীলাচল পাহাড়ের কোলে ব্রহ্মপুত্রের তীরে এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে নানা কাহিনী। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম কামাখ্যা। কথিত আছে, এখানে সতীর যোনি পড়েছিল। ১৬৬৫ সালে কোচবিহারের মহারাজা নরনারায়ণ নীলাচল পাহাড়ের কোলে এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। মা এখানে দশমহাবিদ্যা রূপে পূজিত। দীপাবলিতে, মাকে মহাস্নান করিয়ে, ষোড়শপচারে ভোগ নিবেদন করা হয়। এরপর হয় মহা বলিদান। মাছ ভোগ ও বলিদানের মহাপ্রসাদ ভোগও নিবেদন করা হয় মাকে। কালীপুজোর দিনই এখানে লক্ষ্মী ও কুবেরের পুজো হয়। কথিত আছে, বশিষ্ঠ মুনি এক সময় এই কামাখ্যাতে তপস্য়া করেছিলেন। কলিযুগের স্বর্গ বলা হয় মা কামাখ্যার মন্দিরকে।






















