Kalighat TMC: 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর ছাত্র-যুবকে মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের, তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর, “আমার পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে..”
HC On Kalighat TMC Rally: 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর ছাত্র ও যুব সংগঠনকে শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট, মেনে চলতে হবে কী কী শর্ত ?

সৌভিক মজুমদার, ঐশী মুখোপাধ্যায়, বিজেন্দ্র সিংহ,কলকাতা: বারুইপুরে নাবালিকাকে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে, সোমবার মোমবাতি হাতে রাস্তায় নামতে দেখা গেছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই আবহে, 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর ছাত্র ও যুব সংগঠনকে শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে মিছিলে সামিল হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।কিন্তু এই রায় দিতে গিয়েই মঙ্গলবার তাৎপর্যপূর্ণ একটি মন্তব্য় করলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। রায় দিতে গিয়ে এদিন বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর করা একটি মামলার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি।
বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, আমার পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। কোচবিহারে একটি মিছিল করার জন্য বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে (শুভেন্দু অধিকারী) মামলা করতে হয়েছিল। আদালত মিছিলের অনুমতি দিয়েছিল। বারুইপুরকাণ্ড, হকার উচ্ছেদ-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে, বুধবার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে ল্যান্সডাউন পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি চেয়েছিল 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর ছাত্র ও যুব সংগঠন।কিন্তু পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায়, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। সেই মামলায় রুট বদল করে, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে হাজরা রোড হয়ে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।একইসঙ্গে বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, বুধবার দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটে পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধ করা যাবে না, রাস্তার একদিক দিয়ে গাড়ি চলবে। সর্বাধিক ১ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে মিছিল করতে হবে। মানতে হবে শব্দবিধি। লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না, হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করা যাবে।
অন্যদিকে এদিনই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ডিম ছোড়ার মামলায়, জরুরি শুনানির আবেদন ফেরালেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বিচারপতি বলেন, এই ধরনের মামলা গ্যালন গ্যালন দায়ের হচ্ছে। মামলা দায়ের করুন, পদ্ধতি মেনে মামলা শুনানির জন্য আসবে। পয়লা জুলাই, কালীগঞ্জের পলাশিতে মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। ওই দিন ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করছিলেন তিনি। তখনই বাইরে থেকে একের পর এক ডিম ছোড়া হয় তাঁকে লক্ষ্য করে।
কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, যদি বিজেপিতে চলে যান, তাহলে না ডিম আসবে, তখন আপনাকে সেই ডিমটাকেই ভেজে অমলেট করে টোস্ট দিয়ে আপনাকে খাওয়াবে। কোনও ব্যাপার না। যদি আপনি না যান, যদি আপনি বিক্রি না হন, যদি আপনি বিকাও নন, যদি আপনি টিকাও, তাহলে আপনি কী দেখবেন, তাহলে আপনি সেদিন কালীগঞ্জে দেখবেন। এই ডিম ছোড়ার ঘটনার বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন মহুয়া মৈত্রর আইনজীবী। যে আবেদন ফিরিয়ে দিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।






















