Prashanta Barman: প্রাক্তন BDO প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতারের নির্দেশ হাইকোর্টের
Former BDO Prashanta Barman: প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতারের নির্দেশ হাইকোর্টের। প্রাক্তন BDO-কে গ্রেফতার করে রিপোর্টের নির্দেশ। গ্রেফতার করে ১০দিনের মধ্যে রিপোর্টের নির্দেশ।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতারের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। প্রাক্তন BDO-কে গ্রেফতার করে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশকে। গ্রেফতার করে ১০দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে। অন্যদিকে, কোচবিহারের তৃণমূল নেতার জামিনের আবেদনও খারিজ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে IO-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখনও প্রশান্ত বর্মন গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট।
প্রশান্ত বর্মন যে মামলায় মূল অভিযুক্ত, সেই মামলাতেই কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকার গ্রেফতার হন। তাঁর জামিনের আবেদন করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সজল সরকারের আইনজীবী। আজ আদালতের তরফে স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়ে সজল সরকারের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশান্ত বর্মন, রাজ্যের প্রাক্তন বিডিও, স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মূল অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতার করে, ১০ দিনের মধ্যে রাজ্য পুলিশের তরফে রিপোর্ট পেশ করতে হবে আদালতের কাছে। কেন এতদিন প্রশান্ত বর্মন গ্রেফতার হয়নি - এই প্রেক্ষিতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের তদন্তের তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।
কয়েকদিন আগেই নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে পথচারীদের ধাক্কা মেরে প্রথমে আটক এবং পরে গ্রেফতার হন প্রশান্ত বর্মন। তবে ছাড়াও পেয়ে যান তিনি। জামিন হয়ে যায় তাঁর। কিন্তু এবার কলকাতা হাই কোর্টের কড়া নির্দেশ গ্রেফতার করতে হবে প্রশান্ত বর্মনকে।
'মেয়র পদ ছাড়তে ফিরহাদকে সম্মতি মমতার', দাবি কুণাল ঘোষের, আর কী বলছেন বেলেঘাটার বিধায়ক
কী ঘটেছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সঙ্গে
মেদিনীপুরের বাসিন্দা স্বপন কামিল্যা দত্তাবাদের দোকান ভাড়া নিয়ে সোনার দোকান চালাতেন। সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকেই অপহরণ করে খুন করা হয় নিউটাউনে। গত ২৮ অক্টোবর, দত্তাবাদ থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয়। ২টি গাড়িতে করে আসেন কয়েকজন। একটি নীল বাতি লাগানো গাড়ি ছিল বলেও খবর পুলিশ সূত্রে। এরপর ৩০ অক্টোবর, নিউটাউন থেকে স্বপন কামিল্যার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে বেধড়ক মারধর করা হয় স্বপন কামিল্যাকে। পুলিশের অনুমান, মারের চোটেই মৃত্যু হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর। এরপর গাড়িতে করে দেহ ফেলে রেখে আসা হয়। পরে পুলিশ উদ্ধার করে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় বিডিও প্রশান্ত বর্মন-সহ বেশ কয়েকজনের।
Before You Go
Taratala Incident : যে জমিতে গোডাউনের শেড ভেঙে পড়েছে, সেই জমি লিজ নিয়েছিল বেহেরা ব্রাদার্স, যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী...






















