Sajal Ghosh: এটা পার্টি অফিস নয়, কারও বাপের জমিদারি নয়; পুরসভার অধিবেশন ঘিরে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ সজল ঘোষের
Sajal Ghosh On Kolkata Municipality Monthly Session: কলকাতা পুরসভায় নজিরবিহীন ঘটনা, পুরসভার অধিবেশন ঘিরে তীব্র আক্রমণ সজল ঘোষের, কী বললেন বিজেপি বিধায়ক ?

কলকাতা: কলকাতা পুরসভায় নজিরবিহীন ঘটনা, কাউন্সিলর্স ক্লাব রুমে হাউস বসাচ্ছেন তৃণমূল কাউন্সিলররা। এরপরেই সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি।পুরসভার অধিবেশন ঘিরে এদিন তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।
আরও পড়ুন, বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এদিন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, কোনও কারণ দর্শানো ছাড়াই ক্যানসেল হবে। আমি ভেবেছি স্বাভাবিকভাবেই সেই ধরণের কোনও হাউজ ক্যানসেল, তারপর আজকে হঠাৎ, টিভির মাধ্যমে, আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম, এখানে একটা মকারি চলছে। হাউজের কতগুলি রুল আছে। কমিশনার, সেক্রেটারির, তাঁদের পারমিশন নিয়ে, হাউজ করতে হয়। আমি জানি না সেটা ছিল কিনা। যারা আজকে এই কথাটা আজকে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলছেন, আজকে এই হাউজে বিরোধীরা কেউ কোনও খবরই পেল না। শুধু বিজেপি নয়, সিপিএম আছে, বামপন্থীরা আছেন। খবর পায়নি। হাউজের নিয়ম হচ্ছে, সেখানে বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। এখানে রেকর্ড হল না। এটা পার্টি অফিস নয়। এটা ববি হাকিমের ওই স্যান্ডো গেঞ্জি আর লুঙ্গি পুরে শুয়ে থাকা বৈঠক খানা নয়। নেতাজির অলঙ্কৃত করা, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ-দের অলঙ্কৃত করা কলকাতা পুরসভা। কারও বাপের জমিদারি নয়।সহজ কথা, কোড-আনকোড।
তিনি আরও বলেন, কিছুই হল না, কাউন্সিলরদের প্রশ্ন ছিল, সেই প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা হল না। বিরোধীরা জানতে পারল না। অ্যাটেনডেন্স হল কিনা, জানতে পারলাম না। রাজ্যসঙ্গীত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি, সেটা হল না। জাতীয় সঙ্গীত, সবার শেষে, এটা রুল, সেটা হল না। ভেবেছেটা কি এরা। এই ধরণের বেআইনি কাজ, যে কাউন্সিলররা করেছেন, এবং তাঁদের দুই দলনেতা, মাননীয় চেয়ারপার্সন, এবং মাননীয় মেয়র, তাঁরা এই অনৈতিক কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা কমিশনারের কাছে যাবো। এবং আবেদন করবো, এই বেআইনি কাজের জন্য, ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁতে যদি এই পুর বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়, তাঁতে কোনও আমাদের আপত্তি নেই। তিন থেকে সাতাত্তর হতে… এমনিই আমাদের পুরনো স্বভাব, আর বেশিদিন লাগেও না। এই তো কয়েক মাসের খেলা,.. কমিশনার নিজেই চালান।আমরা ওদের কাউকে দিয়ে বোর্ড গড়ব না। কিন্তু এই অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে কমিশনারকেও ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ তারই উপস্থিতিতে যে অন্যায়ের ঘটনা ঘটেছে, সেটা নজিরবিহীন সম্ভবত।..কারণ আমার ধারণা উনি (মীনাদেবী পুরোহিতের দিকে দেখিয়ে) ৩০ বছরের বেশি আছেন, উনি দেখেননি।আমার ধারণা পুরসভার ইতিহাসেও নেই।























