Anandapur Fire: ফের আগুন আনন্দপুরে, এবার মিও আমোরের কারখানায়
Anandapur Fire: কসবা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে মিও আমোরের কারখানায় আগুন লেগেছে সোমবার সন্ধ্যায়।

সন্দীপ সরকার, আনন্দপুর : ফের আগুন আনন্দপুরে। এবার মিও আমোরের কারখানায়। নাজিরাবাদকাণ্ডের দেড় মাসের মাথায় ফের আনন্দপুরে বিধ্বংসী আগুন। কসবা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে মিও আমোরের কারখানায় আগুন লেগেছে সোমবার সন্ধ্যায়। দমকলের তিনটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। কিছুক্ষণের চেষ্টাতেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ধোঁয়া পুরোপুরি সরতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানায় দমকল।
মিও আমোরের স্টোরে সোমবার সন্ধে সাড়ে সাতটা-আটটা নাগাদ আচমকাই আগুন লেগেছে বলে খবর। আগুন লেগেছিল মূলত প্ল্যান্টের জেনারেটর রুমে। যেহেতু জেনারেটর রুমের লাগোয়া ডাক্ট রয়েছে, তার মাধ্যমে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল মিও আমোরের গুদামে। কর্মীরা দ্রুত বেরিয়ে আসেন। খালি করে দেওয়া অফিস। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। কীভাবে আগুন লাগল তার খোঁজ চালাচ্ছেন দমকল আধিকারিকরা। বিল্ডিংয়ের বাইরে মিও আমোরের একটি প্রোডাকশন ইউনিট ছিল। সেখানেই আগুন লাগে বলে খবর দমকল সূত্রে।
চলতি বছরের শুরুতেই প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন রাতে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল আনন্দপুরের নাজিরাবাদে। গত ২৫ জানুয়ারি, গভীর রাতে, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে, 'ওয়াও মোমো'র গুদাম সহ ২টি গুদামে ভয়ঙ্কর আগুন লাগে। ঝলসে ও দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ২৭ জন কর্মীর। নাজিরাবাদ-অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে ও দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জনের। সেই ঘটনায় কিছুদিন আগে থেকে শুরু হয় দেহাংশ হস্তান্তর প্রক্রিয়া। তাদের মধ্যে, ১৬ জনের দেহাংশ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া গিয়েছে। প্রক্রিয়াগত কিছু সমস্যার জন্য, বাকি ২টি দেহাংশ হস্তান্তর করা যায়নি। বন্ধ গোডাউনে ঝলসে, এবং দমবন্ধ হয়ে যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তাদের মধ্যে মোট ১৮ জনের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বেআইনি ভাবে চলছিল এইসব গোডাউন। দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছু ছিল না। অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থাও সঠিক ভাবে ছিল না।
নাজিরাবাদ-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গোডাউন মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে নরেন্দ্রপুর থানা। তাঁর বিরুদ্ধে মোট দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়। অন্যটি দমকলের তরফে করা হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, অগ্নিদগ্ধ দুটি গোডাউনের মালিকই এই গঙ্গাধর দাস। একটি তিনি নিজে ব্যবহার করতেন। আরেকটি ভাড়ায় দিয়েছিলেন WOW MOMO সংস্থাকে।























