Kolkata BLO Death: যাদবপুরে BLO- র রহস্যমৃত্যু, বাথরুম থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ
Kolkata News: কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়ার অভিযোগ মৃত BLO-র স্ত্রীর। কীভাবে মৃত্যু, তদন্ত করতে হবে, দাবি মৃতের দিদির।

আবির দত্ত, কলকাতা : খাস কলকাতায় BLO- র রহস্যমৃত্যু, ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১১০ নম্বর পার্টের BLO-র রহস্যমৃত্যু। পূর্ব যাদবপুরের অহল্যানগরের বাড়িতে দেহ উদ্ধার। বাথরুম থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার BLO অশোক দাসের। কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়ার অভিযোগ মৃত BLO-র স্ত্রীর। কীভাবে মৃত্যু, তদন্ত করতে হবে, দাবি মৃতের দিদির। বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন আসত, দাবি BLO-র দিদির। পাড়ার মধ্যে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, অভিযোগ পরিবারের। পরপর বিএলও-র মৃত্যু, প্রতিবাদে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ তৃণমূলপন্থী বিএলও-দের।
পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন অশোক দাস। বাড়ির বাথরুম থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের লোকজন তাঁকে দেখতে পেয়ে দ্রুত নিয়ে যান আর এন টেগোর হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন নাকি তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই স্পষ্ট হবে। জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মৃতের দিদি জানিয়েছেন, ভাই তাঁকে বলেছিলেন একদিন শরীর খারাপ হয়েছিল। হার্টের সমস্যা ছিল অশোকবাবুর, সেকথাও জানিয়েছেন মৃতের দিদি। দিদি ভাইকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, সবদিকে খেয়াল রেখে কাজ করতে। স্থানীয় এক বাসিন্দাও জানিয়েছেন, অত্যন্ত সুষ্ঠু ভাবে কাজ গুছিয়ে এনেছিলেন অশোক দাস। খুব একটা বেশি কিছু কাজ বাকিও ছিল না। কর্মঠ যুবক ছিলেন তিনি। এসআইআর- এর কাজও করেছিলেন বেশ ভাল ভাবেই। কীভাবে এই বিএলও- র মৃত্যু হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
স্বামীর এ হেন আকস্মিক প্রয়াণে ভেঙে পড়েছেন অশোক দাসের স্ত্রী। ছোট ছেলে রয়েছে দম্পতির। ছেলেকে নিয়ে এখন কোথায় যাবেন, কী করবেন, বাচ্চার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। মৃতের স্ত্রী-ও অভিযোগ করেছেন যে, অশোকবাবুকে এসআইআর- এর কাজ নিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি পাড়ার দিকেও অভিযোগ করেছেন মৃত বিএলও- র স্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর- এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক অঘটনের খবর সামনে এসেছে। কোথাও বিএলও কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কোথাও বা নিজেকে শেষ করে দেওয়ার রাস্তা বেছে নিয়েছেন। আর সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে, বিএলও- দের উপর রয়েছে পাহাড় প্রমাণ কাজের চাপ। আর অনেকে তা সামলাতে না পেরেই চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।






















