Kolkata News: বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতে ED-র হানা, আনা হল টাকা গোনার মেশিন ! দীপাবলির আগে কলকাতা-আসানসোল-ঝাড়গ্রামে অভিযান
Kolkata ED Raid : দীপাবলির আগে কলকাতা-আসানসোল-ঝাড়গ্রামে অভিযান

কলকাতা: বালি পাচারের তদন্তে আসানসোলে তল্লাশি ED-র, জেলার পাশাপাশি কলকাতায়ও অভিযান ইডির। বালি পাচারের তদন্তে আসানসোলে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বালি ব্যবসায়ী মণীশ বাগাড়িয়ার বাড়িতে, অফিসে তল্লাশি। আনা হল টাকা গোনার মেশিন। ED-র টিমে রয়েছেন ১০ থেকে ১২ জন আধিকারিক। বাড়িতে নেই মণীশ বাগাড়িয়া, ব্যক্তিগত কাজে দমদমে গেছেন বলে খবর সূত্রের। মণীশ বাগাড়িয়া সরকারি টেন্ডারপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী হলেও, ব্যবসাতে অস্বচ্ছতা রয়েছে, সন্দেহ ED-র। ৩ বছর ধরে বালির ব্যবসাতে যুক্ত মণীশ বাগাড়িয়া, তাঁর বেশ কয়েকজন পার্টনারও রয়েছেন।
আরও পড়ুন, 'দল করবেন, উপদল করা চলবে না..', কাকে নিশানা শশী পাঁজার ?
একযোগে রাজ্যের ৩ জেলার ৭ জায়গায় অভিযান চালালেন ED অফিসাররা। আসানসোলে এক এক বালি ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হল ৩৪ লক্ষ টাকা। বৃহস্পতিবার কলকাতার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের সুমিত্রাপুর, গোপীবল্লভপুরের চর্চিতা, জিডি মাইনিংয়ের গোপীবল্লভপুরের অফিস, লালগড়ের সিজুয়া, আসানসোলে বালি ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং আসানসোলে বালি ব্যবসায়ীর অফিস।
এদিন সাত সকালে বালি পাচারের তদন্তে ঝাড়গ্রামের ৪ জায়গায় হানা দেয় ED.গোপীবল্লভপুরের সুমিত্রাপুরে বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়ি ও অফিসে হানা দেন ED আধিকারিকরা। ঘটনার সময় সৌরভ রায় বাড়িতে ছিলেন না। গতমাসেই ব্যবসায়ীর মেদিনীপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। মেলে ৬৫ লক্ষ টাকা। ঝাড়গ্রামে বালি খাদানকর্মী শেখ জহিরুল আলির বাড়ি থেকে পাওয়া যায় ২৫ লক্ষ টাকা। সেই সূত্র ধরেই এদিনের তল্লাশি বলে ED সূত্রে খবর।
গোপীবল্লভপুরের চর্চিতায় সৌরভ রায়ের একটি খাদান রয়েছে। সেখানেও সকালে হানা দেন ED আধিকারিকরা। GD মাইনিংয়ের গোপীবল্লভপুরের অফিসেও তল্লাশি করেন ED-র তদন্তকারীরা। খতিয়ে দেখা হয় বেশ কিছু নথি। লালগড়ের সিজুয়ায় রয়েছে সৌরভ রায়ের আর একটি বালি খাদান। তদন্তকারীদের তল্লাশি থেকে বাদ যায়নি সেই জায়গাও। বালি খাদানের অফিসের একটি ঘরের তালা ভেঙে তল্লাশি চালায় ED.
খাদান বৈধ। কিন্তু, সেখানে যেভাবে বালি তোলা হচ্ছে তা অবৈধ। এই অভিযোগে, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতেও এদিন অভিযানে নামে ED.সকাল ৬টা থেকে আধা সেনাকে সঙ্গে নিয়ে বালি ব্যবসায়ী মণীশ বাগাড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেন ১০ থেকে ১২ জন তদন্তকারীরা।
ED সূত্রে খবর, ব্যবসায়ী বাড়িতে না থাকলেও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩৪ লক্ষ টাকা।বাড়ির পাশাপাশি, বালি ব্যবসায়ীর অফিসেও চলে তল্লাশি। ক্যাশ কাউন্টিং মেশিন। মেশিন নিয়ে যায়। সুবিশাল বাডড়ি। বালি পাচারের তদন্তে জেলার পাশাপাশি কলকাতার বেন্টিং স্ট্রিটেও অভিযান চালায় ED.ED-র অনুমান, এই চার্টার্ড অ্যাকাউন্টান্টের মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে বালি পাচারের কালো টাকা।আসানসোলে উদ্ধার ৩৪ লক্ষ টাকার কোনও হিসেব দিতে পারেননি ব্যবসায়ীর পরিবারের সদস্যরা। টাকার উৎস জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ব্যবসায়ীকে। অন্যদিকে, সৌরভ রায়কে শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠিয়েছে ED.






















