Tangra Mysterious Death: 'ট্যাংরাকাণ্ডে বৌদি ও স্ত্রীর গলা কেটেছিল প্রসূনই' ! তাহলে প্রণয়ের নাবালিকা কন্যাকে খুন করল কে?
Prasun On Tangra Murder Case :ট্যাংরাকাণ্ডে এবার প্রসূনের 'স্বীকারোক্তি', পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে কী বলল সে ?

কলকাতা: ট্যাংরায় ২ মহিলাকে খুন করেছিল কে? এবার প্রসূনের 'স্বীকারোক্তি'। পুলিশ সূত্রে খবর,'বৌদি ও স্ত্রীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হাত-গলা কেটেছিল প্রসূনই', জিজ্ঞাসাবাদের এমনই স্বীকারোক্তি ছোট ভাইয়ের । তাহলে প্রণয়ের নাবালিকা কন্যাকে খুন করল কে? ট্যাংরাকাণ্ডের ৩জন খুনের ১০দিন পরেও ধোঁয়াশা ! লালবাজার সূত্রের খবর,'পায়েসের মধ্যে বিষ মিশিয়েছিল বড় ভাই প্রণয়। বালিশ দিয়ে মুখ চেপে বৌদি-স্ত্রীর হাতের শিরা-গলা কাটে প্রসূন। বাঁচার জন্য চেষ্টা করেছিল স্ত্রী রোমি, তাই শরীরে আঘাতের চিহ্ন', পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে এমনই স্বীকার প্রসূনের।
পরিবারের তিন মহিলা সদস্যকে খুন করেছিল কে? প্রণয়, প্রসূন দুই ভাই মিলে? নাকি কোনও একজন?
বালিশ চাপা দিয়ে, শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করেন কাকা। মরার ভান করে বেঁচে যাই। রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কাছে চাঞ্চল্যকর দাবি করল ট্যাংরাকাণ্ডে জখম কিশোর। লালবাজার সূত্রে খবর, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্যাংরার চিত্ত নিবাসে বন্ধ দরজার ওপারে ঠিক কী হয়েছিল? পরিবারের তিন মহিলা সদস্যকে খুন করেছিল কে? প্রণয়, প্রসূন দুই ভাই মিলে? নাকি কোনও একজন? সেই রহস্য়ের কিনারা এখনও পুরোপুরি হয়নি। এর মধ্য়েই রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কাছে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করল বড় ভাই প্রণয় দে-র নাবালক ছেলে। কিশোরের দাবি, ঘুমের ওষুধ মেশানো পায়েস খেয়ে তার কিছুই হয়নি। এরপর তাকে বালিশ চাপা দিয়ে, শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করেন কাকা প্রসূন দে। নিয়মিত যোগাভ্যাস ও জিম করার ফলে সে অনেক্ষণ নিঃশ্বাস বন্ধ করে থাকতে পারত।
ঠিক কী হয়েছিল ?
কিশোরের দাবি, সে মরে যাওয়ার ভান করে পড়ে ছিল। এরপর তাকে ফেলে রেখে বাবা ও কাকা ছাদে চলে যান। নাবালক আরও দাবি করেছে, দিনকয়েক আগে থেকেই পরিবারে এনিয়ে আলোচনা চলছিল। আলোচনার সময় তাকে ও তার বোন প্রিয়ম্বদাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে কিশোর দাবি করেছে, পরিবারের ব্যবসা ডুবে গেছিল। আলোচনার দিন ঘরে থাকলে অন্য কোনও উপায়ে রোজগারের পরামর্শ দিতে পারত সে।এদিকে লালবাজার সূত্রে খবর, তদন্তে নেমে জানা গেছে, বড় ভাই প্রণয় দে-ই পায়েসে ওষুধ মিশিয়ে সকলকে খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে, নিজেরাই নিজেদের হাত কাটার চেষ্টা করেন। তাতেও ব্যর্থ হন তাঁরা।
আরও পড়ুন, হাকিম খুঁজবেন 'ভূতুড়ে ভোটার' ! শনিতেই শুরু 'ধড়পাকড়'..
কিশোরের দেখভালের দায়িত্বে কে ?
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রসূন দে জানিয়েছেন, দুই ভাইয়ের স্ত্রী নিজেরাই নিজেদের হাত কাটেন। কিন্তু আঘাতের চিহ্ন দেখে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অন্য কেউ তাঁদের হাতের শিরা কেটেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও বলছে, খুনই করা হয়েছিল তিন জনকে। তদন্তে আরও জানা গেছে, প্রণয় দে-র নাবালক ছেলে ও প্রসূনের মেয়ে প্রিয়ম্বদা, দুজনকেই বালিশ চাপা দিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল। লালবাজার সূত্রে খবর, দু-একদিনের মধ্যেই প্রণয় ও প্রসূন দে-কে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হতে পারে। তারপর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে রাজ্য় শিশু সুরক্ষা কমিশন সূত্রে খবর, নাবালক জানিয়েছে সে হোমে যেতে চায় না। তাকে কোনও আত্মীয়র বাড়িতে পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আত্মীয়রা কেউ রাজি না হলে অন্য কোনও পরিবারকে কিশোরের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
Before You Go
Conch Shell GI Tag: GI ট্যাগ পেল বাঁকুড়ার শঙ্খ শিল্প, এবার কি বাঁচবে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্য?






















