Mamata Banerjee: ‘শুধু বাংলায় অনুপ্রবেশকারী? পহেলগাঁও-দিল্লি কি তাহলে আপনারা করালেন?’, শাহের আক্রমণের পাল্টা মমতা
Amit Shah Bengal Visit: বড়জোড়ার সভা থেকে শাহকে পাল্টা আক্রমণ করেন মমতা।

কলকাতা: অনুপ্রবেশ ইস্যুকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জোর লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশে মদত জোগানোর অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সেই নিয়ে এবার শাহকে তীব্র আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জম্মু ও কাশ্মীরে কি অনুপ্রবেশ নেই, প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। সেই সঙ্গে পহেলগাঁও ও দিল্লির লালকেল্লা হামলা নিয়েও বিজেপি ও শাহকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। (Mamata Banerjee)
মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন শাহ। ২০২৬-এর নির্বাচনও অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করেই হবে বলে জানান তিনি। এর কিছু ক্ষণ পরই বড়জোড়ার সভা থেকে শাহকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, "বাংলায় শুধু অনুপ্রবেশকারী! কাশ্মীরে নাকি নেই? তাই যদি সত্যি হয় বন্ধু, তাহলে একটা কথার উত্তর চাই, পহেলগাঁও কি তাহলে আপনারা করালেন? দিল্লিতে কিছুদিন আগে যে ঘটনা ঘটে গেল, তা কি আপনারা করালেন? বাংলা ছাড়া আর কোথাও অনুপ্রবেশকারী নেই? তাহলে এতদিন আপনারা কী করলেন?" (Amit Shah Bengal Visit)
মমতা সরকার সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে বাধা দিয়েছে, BSF-কে জমি দেয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন শাহ। পাল্টা জবাবে মমতা বলেন, "বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দেয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি না দিলে, তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর লাইন কে করে গিয়েছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে গিয়েছে, আপনি নন। জিজ্ঞেস করুন দুঃশাসনের কমরেডদের। কমরেড না বোমরেড জানি না। আমি জমি না দিলে ECL-এর জমিগুলি কোথা থেকে আসত! রানিগঞ্জে কে জমি দিয়েছে, জামুড়িয়া, বাঁকুড়া, বনগাঁ-পেট্রাপোল, চ্যাংড়াবাঁধ-মালবাজার, অন্ডাল, পানাগড়ে কে জমি দিয়েছে? বড় বড় মিথ্যে কথা শুধু।"
বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গ নতুন জীবন পাবে, রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের দেশছাড়া করা হবে বলেও এদিন হুঙ্কার দেন শাহ। যদিও মমতার বক্তব্য, "আজ বলছেন, SIR-এর নামে অনুপ্রবেশকারী হটাব! এতদিন কী করছিলেন? দুধভাত খাচ্ছিলেন? না কি পিঠে খাচ্ছিলেন। আপনারা তো আবার বাংলার খাবার খান না। ১৯৪৭ সালের আগে তিনটি দেশ একই ছিল। এপার বাংলা থেকে যেমন আপার বাংলায় মানুষ গিয়েছেন, তেমনই ওপার বাংলা থেকে এপারে এসেছেন মানুষ। পঞ্জাব থেকে পাকিস্তানে যেমন গিয়েছেন মানুষ, সেখান থেকেও এসেছে। বাংলা এবং পঞ্জাব, সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা সহ্য করেছে এই এই দুই রাজ্য।"






















