Calcutta High Court: ভবানীপুরে ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ মমতার, EVM, VVPAT, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
Mamata Banerjee Bhowanipore Results: ভবানীপুর কেন্দ্রের সিসি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোটের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা: ভবানীপুরের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলায় এবার CC ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল আদালত। EVM, VVPAT ও CC ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য মোছা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের। ২ মাস পর হাইকোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (Mamata Banerjee Bhowanipore Results)
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে মমতার সঙ্গে সরাসরি লড়াই ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। ভোটের ফল বেরোলে দেখা যায়, শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা। এর পর রাজ্যে পালাবদল ঘটে। রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী হন শুভেন্দু। ভবানীপুর আসনটিকে রেখে নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি। সেই ভবানীপুরের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সম্প্রতি আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা। ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন। (Mamata Banerjee)
আরও পড়ুন: উদ্ধব-শিবসেনায় বড় ভাঙন, লাভবান হচ্ছেন একনাথ শিন্ডে, কিন্তু বিজেপি-র চিন্তা কি বাড়ল?
গত ১৬ জুন হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন মমতা। সশরীরে আদালতে উপস্থিত হন তিনি। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন, কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়, শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এর আগে, ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে পরাজয়ের পরও আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা। সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়নি আজও। সেইমতো ভবানীপুর নিয়েও আদালতে গেলেন তিনি। আর তার পরই আদালত জানাল, ভবানীপুর কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ, EVM, VVPAT-সব তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কিছু মোছা যাবে না।
ভারতে নির্বাচনী তথ্য সংরক্ষণ বিয়ে নির্দিষ্ট বিধি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের, যার আওতায় ফলাফল প্রকাশের ৪৫ দিন পর্যন্ত CCTV, ওয়েবকাস্টিং সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। কাগজে ছাপানো VVPAT স্লিপ সংরক্ষিত থাকে এক বছর সময়কাল পর্যন্ত। ওই সময়ের মধ্যে ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা হলে আদালত যদি নির্দেশ দেয়, সেক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব তথ্য সংরক্ষণ করতে হয়। একই ভাবে EVM-এর মেমোরি লগও ৪৫ দিন সংরক্ষণ রাখতে হয়।
আগের বিধিতে সংশোধন ঘটিয়ে ২০২৪ সালে এই নয়া বিধি চালু করা হয়। তার আগে পর্যন্ত যদিও তিন থেকে ১ বছর পর্যন্ত সব তথ্য সংরক্ষিত রাখার চল ছিল। ১৯৬১ সালের সেই কনডাক্ট অফ ইলেকশন রুলসের বিধিতে সংশোধন ঘটানো হয়। ভোটারদের 'গোপনীয়তা রক্ষা'কে অগ্রাধিকার দিয়ে, অপব্যবহারের আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিধি সংশোধন করা হয়। মমতা ৪৫ দিনের সময়সীমার মধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হন। আজ তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ দিল আদালত।






















