Indonasia Earthquake : ভূমিকম্পের ভয়াবহ ধাক্কায় হুড়মুড়িয়ে পড়ল বাড়ি, চাপা পড়লেন অনেকে, একের পর এক মৃত্যু
ভূমিকম্পের আতঙ্কে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান। শুধু একটা ধাক্কা নয়। পরপর আফটারশকে কেঁপে ওঠে মাটি।

জাকার্তা: সকাল সকাল কেঁপে উঠল দেশের মাটি। তখনও অনেকেই গভীর ঘুমে। পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের আশপাশ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল থরথরিয়ে। ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় মোট কতলোক প্রাণ হারালেন , এখনই তা বলা মুশকিল, তবে এখনই অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। বংসস্তূপের নিচে কেউ কি জীবিত এখনও ? জীবিতদের সন্ধানে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। ভূমিকম্পের আতঙ্কে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান। শুধু একটা ধাক্কা নয়। পরপর আফটারশকে কেঁপে ওঠে মাটি। বহুতলগুলিও খেলনা-বাড়ির মতো ভেঙে পড়ে । সেই সব ভিডিও এখন ভাইরাল।
দুর্যোগের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির ছবি ধীরে ধীরে সামনে আসছে। এনডিটিভি সূত্রে খবর, উদ্ধারকারী দলের আধিকারিক ফাথুর রহমান সংবাদসংস্থা AFP-কে জানিয়েছেন, চারটি শহর থেকে এখনও পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকে এবং আরও কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন , বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফাথুর রহমান সংবাদ সংস্থাকে আরো জানিয়েছেন, তিনি নাজেওগেও (Nagekeo) রিজেন্সির দিকে নৌকা করে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। । ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে এই অঞ্চল। সেখানেও উদ্ধারকাজ চলছে জোরকদমে।
ভূমিকম্পবিধ্বস্ত এই ফ্লোরেস দ্বীপে পর্যটনের জন্য খ্যাত। শক্তিশালী কম্পনের পর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক কাটেনি এখনও। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে উদ্ধারকারীরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণের কাজের পাশাপাশি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন : বজ্র ও বন্দেমাতরম, স্বাধীনতার বহু বছর আগেই ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা ভগিনী নিবেদিতার হাতে























