Mamata Banerjee: 'এখনও DA কেন পেল না সরকারি কর্মীরা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার না পেয়ে কাঁদছে, আমি এবার জেলায় জেলায় বেরব', লড়াইয়ের ডাক মমতার
বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেল না সরকারি কর্মীরা, আমি তো ক্লিয়ার করে দিয়ে এসেছিলাম। মাছের তেলে মাছ ভাজা, চালাকি?'

কলকাতা: হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ করছে 'কালীঘাট-তৃণমূল'। সেখান থেকেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'দেশ শেষ হয়ে গিয়েছে, অর্থনীতিতে ধস, শিক্ষানীতিতে ধস। যাঁরা আত্মহত্যা কেরছে, তাঁদের জীবনটা ফিরিয়ে দিতে পারবেন। বুলডোজার সরকার, হকারদের জীবনজীবিকা কাড়ছে। মিড ডে মিলের কর্মীদের চাকরি যাচ্ছে। মা লক্ষ্মীরা কেঁদে বেড়াচ্ছে। সরকারি কর্মীদের সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখা হয়'।
এরপরই বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেল না সরকারি কর্মীরা, আমি তো ক্লিয়ার করে দিয়ে এসেছিলাম। মাছের তেলে মাছ ভাজা, চালাকি? পে কমিশন আমরাই করে এসেছিলাম। আপনারা OBC-দের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন। আপনারা আদিবাসী তফশিলিদের উপর অত্যাচার করছেন'।
ভোটে ভরাডুবির পর একুশে জুলাই আক্ষরিক অর্থেই অন্য়রকম। প্রত্যেক বছর গোটা রাজ্য থেকে ট্রেনে চড়ে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা কলকাতার সমাবেশে যোগ দিতে আসেন। হাওড়া স্টেশনে থাকে উপচে পড়া ভিড়। তবে এবার সেই ছবি উধাও। কার্যত খাঁ খাঁ করছে হাওড়া স্টেশন ও ফেরিঘাট চত্বর। নেই তৃণমূলের কোনও ফেস্টুন, ব্যানার বা পতাকা। বাজছে না লাউড স্পিকার। কর্মী সমর্থকদের স্বাগত জানাতে কোনও মঞ্চও তৈরি করা হয়নি।
আরও পড়ুন, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতাকে 'সালাম' মদনের! 'অভিষেকের হাত ছাড়ার' চ্যালেঞ্জ দিলেন প্রাক্তন নেত্রীকে!
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আমরা INDI জোট একসঙ্গে চলব। যে বেইমানি করবে, তাকে সমর্থন করার দরকার নেই। লুটেরাদের থেকে দেশ বাঁচান। দরকার হলে ককরোচের মঞ্চে আমি নিজে যাব। চলছে বিজেপির রেশন, মুখোশ খোলাই আমাদের মিশন। কেন কলকাতায় থাকবে ১৬৩ ধারা, ১৬৪ ধারা? রাস্তায় থাকতে হবে, গ্রেফতার করলে করুক, ৭ দিন জেলে থাকবেন। বিজেপির খাবারের চেয়ে জেলের খাবার ভাল। আসল তৃণমূল আমরা, নতুন করে বলার দরকার নেই'।
মমতা বলেন, 'শহিদ দিবসে তর্পণ করে আমরা অর্পণ করলাম আন্দোলনের সঙ্গে। নেতারা গেছে, কর্মীরা যায়নি। শিক্ষা ব্যবস্থা, খাদ্য ব্যবস্থা, সবাই নাকি চোর আর আপনি সাধু। তোমাকে আমরা তাড়ালাম, কারণ তুমি রাতে বিজেপির সঙ্গে দেখা করতে যেতে। যাঁরা পুরনো কর্মী আছেন, চলে আসুন, ছাত্র-যুবদের সামনে রাখুন'।
এরপর হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'এর পরের কর্মসূচি জেলা থেকে শুরু হবে, এদের মুখোশ খুলে দেব। আমাদের রক্ষা করবে আমাদের সোনার কর্মীরা। বিজেপিদের ঘটে বুদ্ধি নেই, শুধু শয়তানি আর ধমকানি, চমকানি। অনেক ধমকানি সহ্য করে সারা রাত পাহারা দিয়ে রক্ষা করেছি'।























