Lakshmir Bhandar: মহিলা সেজে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিতেন রিষড়ার এই ব্যক্তি! জানাজানি হতেই মহিলাকে প্রাণে মারার হুমকি!
মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার মতো এবার একই অভিযোগ উঠল হুগলির রিষড়ায়।

কলকাতা: বাড়ির লক্ষ্মী, মানে মহিলাদের জন্য তৃণমূল সরকার (TMC Govt) চালু করেছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)। কিন্তু, সেই প্রকল্পের উপভোক্তার তালিকাতেও মিশেছিল জল, যার জেরে পুরুষও হয়ে গেছিলেন লক্ষ্মী। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন পুরুষও। তৃণমূল সরকারের চালু করা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত পুরুষ লক্ষ্মীর অ্যাকাউন্টে। তৃণমূল সরকারের চালু করা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন পুরুষ।
মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার মতো এবার একই অভিযোগ উঠল হুগলির রিষড়ায়। অভিযুক্ত বিজয় সাউ রিষড়া পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থসারথী গুপ্তের ঘনিষ্ঠ লোক বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম নিয়ে 'সন্তুষ্ট' মহিলারা? ফর্ম পূরণে তথ্য জানাতে চাইছেন না অনেকেই?
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা উর্মিলা দেবী অভিযোগ করেছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে তাঁর প্রাপ্য নগদ ঢুকত এলাকার তৃণমূল কর্মী বিজয় সাউয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অভিযোগকারিণীর দাবি, বিষয়টি জানাজানি হতেই ৫ হাজার টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে চাপ দেন তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থসারথী গুপ্ত। এমনকী মুখ খুললে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পালাবদলের পর রাজ্যে বিজেপি সরকারে আসতেই শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন উর্মিলা দেবী নামে ওই মহিলা।
রাজ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প শুরুর আগে তালিকা ঝাড়াই বাছাই শুরু করেছে বিজেপি সরকার। আর তাতেই সামনে আসছে একের পর এক এ ধরনের ঘটনা। এর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায় এবার সন্ধান মিলল তৃণমূলের 'লক্ষ্মী'-ছেলের।






















