মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে ফিরহাদ, কুণাল, নয়না, জাভেদরা, একের পর এক তৃণমূল MLA নবান্ন সভাঘরে

কলকাতা : আরও গভীর হচ্ছে তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। একদিকে ভোটে হারের একমাসের মধ্যেই দলীয় প্রতীক ও নেতৃত্ব ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে, অন্যদিকে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল বিধায়ক যাঁরা তথাকথিত মমতা-ঘনিষ্ঠ ও ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের নন। কার্যত চমকে দিয়েই নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে প্রবেশ করলেন ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষরা। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে চর্চা আরও জোরদার করল। কারণ এই ছবি কার্যত নজিরবিহীন। গত ১৫ বছরে বিরোধী শিবিরের বিধায়করা প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকই পাননি।
এরই মধ্যে ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন বিধায়ক আলাদা করে ‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছেন বিরোধী দলনেতা হিসেবে। চিঠি দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষকে। সমর্থনে লিখিতভাবে সই করেছেন । শুধু তাই নয়, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছে, “আমরাই আসল তৃণমূল”। এই দাবিকে ঘিরেই রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা গেল তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে। নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত হলেন ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ আহমেদ খান, অশোক দেব-সহ একাধিক নেতা। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিতে গেলেন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাও।
তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েন আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।
(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)





















