Barrackpore News: ব্যারাকপুরে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল, বৃদ্ধ মৃত্যুর ঘটনায় সিদ্ধান্ত শাসকদলের
Barrackpore Resident Killed TMC Councilor Suspend : তৃণমূল কাউন্সিলরের মারে বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ, উঃ ব্যারাকপুরের ২৩নং ওয়ার্ডের অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: তৃণমূল কাউন্সিলরের মারে বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ, ইতিমধ্য়েই আটক উঃ ব্যারাকপুরের ২৩নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে। এবার অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল।
আরও পড়ুন, বাইকে যাওয়ার সময় পিষে দেয় লরি, বেহালায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু !
এই ঘটনায়, ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেছেন, 'স্থানীয় কাউন্সিলর কেন ব্যক্তিগতভাবে, জড়িয়ে পড়লেন, এটা অতি অবশ্যই দলের কাছে সঠিক ধারণা পোষণ করছে না বলেই...দল ( তৃণমূল কাউন্সিলর) রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করল। ..প্রশাসন প্রশাসনের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আইন আইনের পথে চলবে। '
বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধের ছেলেকে মারধরের অভিযোগ। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে ৮১ বছরের তুলসী অধিকারীকে লাথি মারার অভিযোগ। তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে লাথি মারার অভিযোগ। ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃদ্ধকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আটক তৃণমূল কাউন্সিলর তথা আইনজীবী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কাউন্সিলরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।অভিযোগ ৮১ বছরের বৃদ্ধ তুলসী অধিকারীকে লাথি মারা হয়েছিল রাস্তার উপরে। তখনই তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।
কিন্তু কীভাবে মারা হল , কেন মারা হল ? তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তথ্যপ্রদান যোগাড়, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান রেকর্ড করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। কিন্তু যে তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, তাঁর কাছেই ওই তুলসী অধিকারীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করছিলেন যে, তাঁদের প্রতিবেশী একটি বেআইনি নির্মান করছিল। অর্থাৎ বেআইনি নির্মাণে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠছে, তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ এই প্রথমবার নয়। অতীতেও একাধিকবার বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আবার দুর্ঘটনা ঘটার পর, নড়ে বসেছে সকলে। গার্ডেনরিচের বহুতল বিপর্যয় মনে পড়লে শিউরে ওঠেন এখনও অনেকেই। ঘটনার পর ফিরহাদ হাকিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সেসময় বলেছিলেন, ওখানে এমন কাজ হচ্ছে, জানতে পারিনি আমি। কেন হচ্ছে, আমি বুঝতে পারছি না। আগে বাহানা দেওয়া হতো। তারপরেও হচ্ছে। সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে বেআইনি নির্মাণ। অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।'
মেয়রের সংযোজন ছিল,' কাউন্সিলর নয়, বেআইনি নির্মাণ দেখার দায়িত্ব নির্মাণ বিভাগের আধিকারিকদের। তাঁরা এই কাজের জন্য বেতন পান, তাঁদের ইতিমধ্যেই শোকজ করা হয়েছে। আগে একাধিক বার সতর্ক করেছি। বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করতে বলেছি। রাতারাতি কোনও বিল্ডিং দাঁড়ায় না। ভিত তোলার সময় থেকেই সতর্ক হতে বলি। আমি যখন মেয়র হই, তখন থেকে ৮০০-র বেশি এমন বাড়ি ভাঙা হয়েছে। গার্ডেনরিচেই ভাঙা হয়েছে ২৫টির বেশি বাড়ি।























