North Bengal News: বছর শেষে ঘুরতে যাচ্ছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের ৪ চিকিৎসক, আচমকাই গাড়ির সংঘর্ষ, মৃত জুনিয়র চিকিৎসক সায়ন্তনী ভাদুড়ি, 'বাঁচাও..' বলার সুযোগটাও পেয়েছিলেন কি ?
North Bengal Accident : উত্তরবঙ্গে দুর্ঘটনার কবলে পর্যটকদের গাড়ি, মৃত জুনিয়র চিকিৎসক সায়ন্তনী ভাদুড়ি

উত্তরবঙ্গ: বছর শেষে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা উত্তরবঙ্গে। মৃত্যু হয়েছে জুনিয়র চিকিৎসক সায়ন্তনী ভাদুড়ির। ফের মুখোমুখি সংঘর্ষই প্রাণ কাড়ল ! গাড়ির গতিবেগ কত ছিল ? ঠিক কারণে এই দুর্ঘটনা, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
বছর শেষে ঘুরতে যাচ্ছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের ৪ চিকিৎসক, আচমকাই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
উত্তরবঙ্গে দুর্ঘটনার কবলে পর্যটকদের গাড়ি, মৃত ১। চিকিৎসকদের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১ চিকিৎসক। মৃত জুনিয়র চিকিৎসক সায়ন্তনী ভাদুড়ি, কলকাতার বাসিন্দা, খবর সূত্রের। পানিঘাটায় ঘুরতে যাচ্ছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ৪ চিকিৎসক। নকশালবাড়ির কদমা মোড়ে চিকিৎসকদের গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ অন্য ১টি গাড়ির। দুর্ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ১ চিকিৎসকের, আহত আরও ৩ চিকিৎসক।
চলতি মাসের গোড়াতেও দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ২ বাঙালি সহ ৪ চিকিৎসকের
চলতি মাসের গোড়াতেই উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় ৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা হয়েছিল। মৃত্য়ু হয়েছিল ২ বাঙালি সহ ৪ চিকিৎসকেরও। তাঁদের মধ্য়ে একজন ছিলেন বেলঘরিয়ার বাসিন্দা অর্ণব চক্রবর্তী। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোয় দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান পুলিশের। যদিও অর্ণবের পরিবারের দাবি ছিল, তাঁদের ছেলে নেশা করত না, পারত না গাড়িও চালাতেও।নিহত চিকিৎসক অর্ণব চক্রবর্তীর বাবা অর্পণ চক্রবর্তী বলেছিলেন, আমাদের কিছু বলার নেই। আমার ছেলেটা যাতে বাড়িতে আসে, একবার যাতে দেখতে পাই, সেটাই আমার একমাত্র কাম্য আপনাদের কাছে।
রক্ত ভেসে গিয়েছিল সিট
দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছিল গোটা গাড়ি, রক্ত ভেসে গিয়েছিল সিট। খুলে গিয়েছিল সব এয়ারব্যাগ, বাঁচানো যায়নি যাত্রীদের কাউকেই। উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় ৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্য়ু হয়েছিল ২ বাঙালি সহ ৪ চিকিৎসকের। নিহতদের মধ্য়ে ছিলেন বেলঘরিয়ার বাসিন্দা অর্ণব চক্রবর্তী (২৫), ত্রিপুরার রামনগরের সপ্তর্ষি দাস (২৫), মুম্বইয়ের শ্রেয়স পাঞ্চোলি(২৮) এবং আয়ূষ শর্মা (২৮)।
'আমি বলি বাবা বলছি, তখন বলে যে, আপনার ..'
অর্ণবের বাড়ি বেলঘরিয়ার পুর পাড়ায়। অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মীর একমাত্র ছেলে। নিহত চিকিৎসক অর্ণব চক্রবর্তীর বাবা অর্পণ চক্রবর্তী বলেছিলেন, আমি যখন গতকাল রাত্রে পৌনে দশটা নাগাদ ওই ঘরে যাই, তখন একটা ফোন আসে। বলা হয়- আপনার ছেলের অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। কী করে হল, কেমন আছে? বলে, আপনারা চলে আসুন তাড়াতাড়ি। আমি আবার দশ মিনিট পরে ওই কলেজে ওয়ার্ডেনকে ফোন করি। কে বলছেন? আমি বলি বাবা বলছি। তখন বলে যে, আপনার ছেলে মারা গেছে।'






















