Park Street Murder: ঘরে ঢুকতেই বোঁটকা গন্ধ, বক্স খাট খুলতেই পচা দেহ উদ্ধার! পার্ক স্ট্রিটের হোটেলেই ভয়াবহ খুন!
পার্ক স্ট্রিটের হোটেল থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার। খবর পেয়ে হোটেলে এসে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ

কলকাতা: ভয়ঙ্কর ঘটনা। হোটেলের ঘরে ঢুকেছিলেন এক বোর্ডার! এক ঝলকে রুম দেখে বোঝার উপায় নেই। পরিষ্কার পরিছন্ন সবদিক। কিন্তু ঘরে কেমন যেন বোঁটকা গন্ধ। কোথা থেকে এই গন্ধ আসছে তা কোনওভাবেই বুঝতে পারছিলেন না ওই বোর্ডার। এরপর ডাকেন হোটেল কর্মীদের। তারপরই হাড়হিম দৃশ্য!
পার্ক স্ট্রিটের হোটেল থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার। খবর পেয়ে হোটেলে এসে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হোটেল রুমের বক্স খাট থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। হোটেল রুমে খুনের ঘটনা বলে অনুমান পুলিশের। জানা গিয়েছে, 'পার্ক স্ট্রিটের হোটেলে উঠেছিলেন ২ জন। যাঁর আধার কার্ডের ভিত্তিতে রুম নেওয়া হয়। হোটেল থেকে তিনি চেক আউট করে যান, খবর পুলিশসূত্রে।
তিন তলায় রুম নম্বর ৩০২-এ বক্স খাটে মেলে যুবকের দেহ। ওই ব্যক্তির দেহে আঘাতের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে কীভাবে মৃত্যু তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই জানা যাবে। ঘটনাস্থলে লালবাজারের সায়েন্টিফিক উইং, হোমিসাইড শাখা।
জানা গিয়েছে, তিন দিন আগে দুই ব্যক্তি এই হোটেলে এসে ওঠেন। এঁদের মধ্যে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আনুমানিক ওই যুবকের বয়স ২৫-২৬ বছর। এদিকে দু'জন এই হোটেলে থাকলেও একজনের আধার কার্ড ব্যবহার করা হয়, এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। এদিকে এও পুলিশ সূত্রে খবর, ওই আধার কার্ডটিও ভুয়ো ছিল। ওই ভুয়ো আধার কার্ডটি যার নামে, তাঁকে পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয়, তিনি বেঁচে আছেন বলেই জানা যায়।
এদিকে, শুক্রবার নরেন্দ্রপুরে, পেপসির কারখানায় এক যুবকের পচাগলা দেহ উদ্ধার। নাম কবীর হোসেন মোল্লা (৩০)। জানা গিয়েছে , ওই কারখানারই গাড়ির চালক ছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, বুধবার কাজে বেরনোর পর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না কবীরের সঙ্গে। শুক্রবার সকালে কারখানার শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। পরিবারের দাবি খুন করা হয়েছে তাঁকে। বুধবার থেকেই যুবকের খোঁজে বারবার কারখানায় আসছিল তাঁর পরিবার। কিন্তু অভিযোগ, বারেবারে খোঁজখবর নেওয়া হলেও, অসহযোগিতা করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এরপর শুক্রবার সকালে পচা দুর্গন্ধ বেরোতে থাকে কারখানার শৌচাগার থেকে। সেখানেই যুবকের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, কারখানার নানা দুর্নীতি জেনে ফেলায় যুবককে খুন করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, কয়েক মাসেই বিয়ে হয়েছিল তাঁর। কবীর মোল্লার স্ত্রীও অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থায় কার্যত দিশাহারা গোটা পরিবার।






















