Post Poll Violence: পালিয়েও হল না শেষ রক্ষা, পুলিশের হাতে গ্রেফতার রাজ্যে এই তৃণমূল নেতা
Howrah TMC leader Arrested : শিবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় তৃণমূল নেতা সহ তিনজন।

সুনীত হালদার, হাওড়া : শিবপুরের চওড়া বস্তিতে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় তৃণমূল নেতা শামীম আহমেদ ওরফে বড়ে সহ তিনজন। বড়ের স্ত্রী শামীমা বানু তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর। সে নিজেও শিবপুরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা।
রাজ্যে পালাবদলের পর গত ৭ ই মে শিবপুরের চওড়া বস্তিতে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এলাকা দখল নিয়ে বড়সড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বড়ে এবং তার দলবলের বিরুদ্ধে ব্যাপক বোমাবাজি এবং গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকে সে পলাতক ছিল। এই ঘটনায় শিবপুর থানার পুলিশ তল্লাশি অভিযান শুরু করে। দিন তিনেক আগে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুলিশের হাতে মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার হয় বড়ে। গতকাল রাতে বড়ে সহ তার সঙ্গীদের ট্রানজিট রিমান্ডে হাওড়ায় নিয়ে আসা হয়। আজ ধৃতদের হাওড়া আদালতে তোলা হবে। তার বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনা এবং অস্ত্র আইন সহ একাধিক ধারায় মামলা শুরু করেছে পুলিশ।
কোথায় তোলাবাজির অভিযোগ, কোথাও চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ। জেলায় জেলায় গ্রেফতার একাধিক তৃণমূল নেতা। এদিন হাওড়া আদালতে তোলা হয় শামিম আহমেদকে। এদিকে পুরনো একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায়, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে গ্রেফতার করা হল যুব তৃণমূল নেতাকে। যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক পাপন চাকলাদার ও তাঁর স্ত্রী কাকলি চাকলাদারকে গ্রেফতার করল ময়নাগুডি থানার পুলিশ। শনিবার রাতে এলাকার একটি ধাবায় মদের আসর বসাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ে যান তৃণমূল নেতা। তাঁকে ব্যাপক মারধর করে স্থানীয়রা।পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে সস্ত্রীক তৃণমূল নেতাকে সেখান থেকে থানায় নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজি, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে একটি পুরনো মামলায় এরপর গ্রেফতার করে পুলিশ।
এদিকে, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে বাঁকুড়ার গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতাকে।গঙ্গাজলঘাঁটি পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ পল্লব পাণ্ডেকে গ্রেফতার করল পুলিশ।এদিকে পার্টি অফিসে বোমা ও ধারালো অস্ত্র রাখার অভিযোগে আরামবাগে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ।গ্রেফতার করা হল জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাকেশ আলিকে। এরই পাশাপাশি, তোলাবাজি, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গলসিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী জাহির আব্বাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করল পুলিশ।





















