WB News : জ্বালানির খরচ কমাতে নয়া উদ্যোগ ! বাসে যাত্রা জেলা প্রশাসনের, কী জানাচ্ছেন তাঁরা ?
Suvendu Adhikari : আজ ৫ জেলার আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে এবার বাসে যাতায়াত করছেন জেলা প্রশাসনের কর্ম কর্তারা।

পুরুলিয়া : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গোটা বিশ্বের কাছে। কারণে এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বহু ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে সঙ্কট। মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস-এর সঙ্কট পাশপাশি আরও বহু জিনিস নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আর এর মধ্যেই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ফের জ্বালানির খরচ কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই কথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরের বহু কর্তা জ্বালানির খরচ কমাতে এগিয়ে এসেছেন ও বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন।
জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে এবার বাসে যাতায়াত করছেন জেলা প্রশাসনের কর্ম কর্তারা। আজ ৫ জেলার আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা জেলার বিডিও, এসডিও, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও জেলাশাসকের। পাশাপাশি জেলা পুলিশের অধিকারিকদেরও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। দেশে জ্বালানি তেলের সঙ্কট থাকায় আগেই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে গাড়ি ব্যবহারের নিয়ন্ত্রনের আবেদন জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর নিরাপত্তা ছাড়া আর অন্য কোনও গাড়ি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই দুর্গাপুরের বৈঠকে যাওয়ার জন্য জেলার অধিকারিকদের জন্য ২টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই বাসেই জেলার আধিকারিক থেকে জেলাশাসক সবাই বৈঠকের জন্য রওনা দেন।
পুরুলিয়ার জেলা শাসক সুধীর কোণ্ঠম জানান, ''আজ মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুরে প্রশাসনিক রিভিউ মিটিং করছেন। সেক্ষেত্রে আমরা সবাই বিডিও, এসডিও, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও জেলাশাসকেরা একসঙ্গে ২টি বাস করে যাচ্ছি। যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটা বার্তা দিয়েছেন পেট্রোল বাঁচানোর জন্য। তাই আমরা কম সংখ্যক গাড়ি নিয়ে যাচ্ছি, যাতে তেল বাঁচাতে পারি।''
আরও পড়ুন - ফের চালু হবে 'অনলাইন ক্লাস' ? কবে থেকে ? জ্বালানি বাঁচাতে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
উল্লেখ্য, তেলঙ্গানার সেকেন্দরাবাদে একটি সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “করোনাকালের সময় থেকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সরবরাহ ক্ষেত্রে একটি বড় সঙ্কটের মুখে পড়েছিল। এর পর আবার ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এতে বিশ্ববাসীর সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের উপর তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।'' ''ভারতের কাছে কোনও বড় বড় তৈলকূপ নেই। আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে পেট্রল, ডিজ়েল, গ্যাস ব্যবহার করতে এগুলো অন্য দেশ থেকে আনতে হয়। তাই, প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত ব্যবহার করা কমিয়ে দিন ও সাশ্রয় করার চেষ্টা করুন।''
ভারতের জ্বালানি আমদানির মোট শতাংশের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, প্রায় ৬০ শতাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং অধিকাংশ তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস আসে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বড় সঙ্কট দেখা দিয়েছে আমদানিতে। মোদি জানিয়েছিলেন, ''দেশের সম্পদের উপর চাপ কমাতে আমাদের সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।''
Before You Go
Chok Bhanga 6ta: কালীঘাট-তৃণমূলের মিছিল ঘিরে বালিগঞ্জে ধুন্ধুমার। ফের কোর্টে গরহাজির অভিষেক






















