RG Kar News: মঙ্গল থেকে রবি, RG Kar- এর 'ঘাতক লিফটের' লিফট-ম্যানদের রস্টারে নামই ছিল না কারওর !
RG Kar News: ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে লাশ হয়ে ঘরে ফিরতে হয়েছে দমদমের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লিফটম্য়ান না থাকায় ভয়াবহ এই বিপর্যয় ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা : আর জি কর হাসপাতালে হাড়হিম করা দুর্ঘটনায় দায় কার? এই প্রশ্ন ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। আর এই আবহেই সামনে এসেছে আর জি করের ট্রমা বিল্ডিংয়ের ২ নম্বর লিফটের রস্টার। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় সেই রস্টারে মঙ্গলবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ওই লিফটে কোনও লিফটম্য়ানের নাম ছিল না। এমনকী রস্টার তৈরি হয়েছে টেকনো ফেথ নামক এক বেসরকারি সংস্থার নামাঙ্কিত প্য়াডে।
ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে লাশ হয়ে ঘরে ফিরতে হয়েছে দমদমের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লিফটম্য়ান না থাকায় ভয়াবহ এই বিপর্যয় ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ৩ জন লিফটম্য়ান সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু, শুক্রবার ঘটনার সময় ট্রমা ইউনিটের ২ নম্বর লিফটে লিফটম্য়ান কে ছিলেন? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। আর জি কর মেডিক্য়াল কলেজের ট্রমা কেয়ার ভবনে ৩টি লিফট রয়েছে। ২ নম্বর লিফটে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা যান ওই ব্য়ক্তি। ওই ২ নম্বর লিফটে লিফট ম্য়ান কে ছিলেন তা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে।
আর জি কর হাসপাতালে লিফটম্য়ানদের ডিউটি রস্টার সামনে এসেছে সেই ডিউটি রস্টারেই উঠে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। লিফটম্য়ানদের নাইট শিফট রাত ১০ টা থেকে পরদিন সকাল ৬ টা পর্যন্ত। ১৭ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেওয়া রস্টারে ট্রমা ইউনিটের ২ নম্বর লিফটে বুধ থেকে রবিবার পর্যন্ত নাইট শিফটে কারও নাম নেই। আর জি করে লিফট বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোররাতে। যে ডিউটি রস্টার রয়েছে আর জি কর মেডিক্য়াল কলেজের ট্রমা কেয়ার ভবনের সেই ডিউটি রস্টারে ২ নম্বর লিফটে চলতি সপ্তাহে বুধবার থেকে রবিবার নাম ফাঁকা। শুধু ফাঁকা রয়েছে ২ নম্বর লিফট। লিফট বিপর্যের পর আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল লিফটের রক্ষণাবেক্ষণের দায় পূর্ত দফতরের।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল লিফটম্য়ানদের ডিউটি রস্টার টেকনো ফেথ নামাঙ্কিত এক সংস্থার প্য়াডে করা হয়েছে। এমনকী, সেই প্য়াডে মুন লাইট নামক আরেক সংস্থারও নাম রয়েছে। নথিতে দেখা যাচ্ছে, তারকচন্দ্র দাস নামে একজন লিফট অপারেটরকে দায়িত্ব দিয়েছে এই মুন লাইট সংস্থা। লিফট রক্ষণাবেক্ষণের বরাত পেয়েছিল বারাসাতের একটি সংস্থা যার নাম টেকনো ফেথ। সেই টেকনো ফেথ সংস্থার নথি বলছে, তাঁরা মুন লাইট নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই আর জি কর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে তারকচন্দ্র দাস নামে একজন লিফট অপারেটরকে দায়িত্ব দিয়ে এই টেকনো ফেথ সংস্থা।
পূর্ত দফতর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছে এক সংস্থাকে। তারা কি আবার দায়িত্ব দিয়েছে আরেক সংস্থাকে? এভাবেই কি লিফট রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হাত বদল হয়েছে? সে কারণেই কি অরক্ষিত অবস্থায় থাকে রাতের লিফট? টেকনো ফেথ সংস্থার অবশ্য দাবি, ডিউটি রস্টারে লিফটম্য়ানের নাম না থাকার বিষয়টি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তাঁরা। আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
Before You Go
Bigmint India Ferrous Week 2026: রাজ্য়ে শিল্পের অগ্রগতির লক্ষ্যে জে ডব্লু ম্য়ারিয়টে শুরু হয়েছে 'বিগমিন্ট ইন্ডিয়া ফেরাস উইক ২০২৬





















