Suvendu Adhikari - TMC Meet : নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর বিধায়করা, কী অ্যাজেন্ডা? ফিরহাদ জানালেন...
শুক্রবার, নবান্নে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। কী নিয়ে আলোচনা?

কলকাতা : সকালে প্রধানমন্ত্রী - NCPI আলোচনার পরই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পথে 'ঋতব্রত-তৃণমূল' । একদিকে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট বৈঠক করলেন তৃণমূল - ত্যাগী এনসিপিআই সাংসদরা। দু - দিন আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও আলোচনায় বসেন তাঁরা। আর আজ, শুক্রবার, নবান্নে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভা অধিবেশন থেকেই, সেখান থেকে একাধিক বিধায়ক নবান্নের উদ্দেশে রওনা দেন। ঋতব্রত - তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। অফিসিয়ালি এই বৈঠক বিরোধী দলের সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক।
এদিন বিধানসভা থেকে নবান্নে বৈঠকে যোগ দিতে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম - সহ দলের একাধিক বিধায়ক। একমাত্র ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া সকলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিধায়ক। নবান্নের বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন গোলাম রব্বানি, সাবিনা ইয়াসমিন, আখরুজ্জামান, জাভেদ খানসহ আরও কয়েকজন জনপ্রতিনিধি। বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে ফিরহাদ হাকিমের দাবি, অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আছে, যেমন এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়া। সূত্রের খবর , এসআইআর - এ নাম বাদ যাওয়া ছাড়াও আরেক ইস্যু নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিধায়করা। মসজিদে আজানের সময় মাইকের আওয়াজ কম করা নিয়ে একটি নির্দেশিকা জারি হয়েছিল , সেই বিষয়টিও উত্থাপিত হতে পারে এই বৈঠকে।
রাজনৈতিক মহলে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কালীঘাট - তৃণমূলের দাবি, এই বৈঠক সেটিংয়ের বৈঠক। বৈঠক শেষে দল বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত বা বার্তা জানানো হতে পারে।
অন্যদিকে, শুক্রবারই সকালে, নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে, তাঁর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট বৈঠকে যোগ দেন NCPI সাংসদরা।
খোশ মেজাজে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। কখনও কাঁধে হাত রেখে অভিবাদন জানান। কখনও হাসি মুখে আলাপচারিতায় মাতেন। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলল চায়ে পে চর্চা পর্ব। সাংসদদের নিজের কেন্দ্র ও রাজ্যের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন নরেন্দ্র মোদি, এমনটাই দাবি সাংসদদের।
আরও পড়ুন : ১০ লক্ষেরও বেশি পরিবারের অ্যাকাউন্টে রাজ্য সরকারের এই টাকা, ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত.....কী জানালেন দিলীপ ঘোষ?























