Samik Bhattacharya : "শমীকের মুখে মমতার প্রশংসা" কেন ঘুরে ফিরে বারবার ? উত্তর দিলেন BJP-র রাজ্য সভাপতি
Samik Bhattacharya Exclusive Interview With Suman De: ছাব্বিশের ভোটের আগে এবিপি আনন্দ-র বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

কলকাতা: ছাব্বিশের ভোটের আগে এবিপি আনন্দ-র বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বারবার প্রশংসা করতে গিয়েছে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সংবাদ মাধ্যমের আলোচনা সভায় তৃণমূলের নেতার সঙ্গে আলোচনার ছবি প্রকাশ্য়ে আসতেই দলের একাংশের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছে। এবিপি আনন্দ-র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে'র সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় উঠে এল সেই সব কথাই। কী বললেন তিনি ?
সুমন দে : শমীক একটা জিনিস বলো, এখন আমরাও দেখি, কোনও একটা অনুষ্ঠানে, তিন দলের তিন নেতা একটা অনুষ্ঠানের পর, ধরো সংবাদ মাধ্যমের অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া করছেন। সেই ছবি বাইরে গেলে তাঁরা আতঙ্কিত থাকেন, যে এই সবাই বলল যে সেটিং হয়ে গেছে। তাঁর দলের সমর্থকেরা গালিগালাজ করছে। এই অস্পৃশ্যতা, ভয়ঙ্কর খারাপ সংষ্কৃতিটা, কবে ডেভোলপ করল ? কারণ তোমার ক্ষেত্রে বারবার আমি দেখছিলাম, ২০০৫ সালে, এবিপি আনন্দ হওয়ার পর থেকে, তখন প্রতিপক্ষ বলো, একটার পর একটা অনুষ্ঠান, ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন, যুক্তিতক্কো, বারবার তুমি এসেছো, এবং স্পষ্ট করে বলেছো, আমি দেখছিলাম, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল জয়, তারপরে তুমি প্রশংসা করছো। বহু ক্ষেত্রে তোমার বিরোধীদের কখনও সমলোচনা তোমার মুখ থেকে কেউ শোনেনি। তো এইটার জন্য দলে সমালোচিত হতে হয়নি ? অন্তত উপরতলা বাদ, নীচু তলার সমর্থকেরা সেটিং বলেনি ? এতো কালচারের বাইরে, এখন তো কালচারটা অন্যরকম হয়ে গিয়েছে।
শমীক ভট্টাচার্য: দেখুন আমার দলে এটা কোনও ব্যাতিক্রম নয়। আমাদের দলের মধ্যে কিছু মানুষ সমালোচনা করে না এই জন্য। তো এটা..আমি অস্বীকার করবো না। যেমন আমি আর কুণাল ঘোষ, তোমারই একটি শোতে, দুই জনে পাশে বসে কথা বলছিলাম। এবং কুণালের সঙ্গে যে কথা হচ্ছিল, সেটা সম্পূর্ণ ছিল একটা ..যে ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বা যে ইতিহাসটা মানুষ জানে না, সেটা হচ্ছে, চূয়াড় বিদ্রোহ, পাইথন বিদ্রোহ। রাণি শিরোমণি ..এটার উপরেও কিছুদিন কাজ করেছি। তাঁকে যেভাবে নিয়ে আসা দরকার এই প্রজন্মের সামনে, বা রাণি রাসমণির ভূমিকা নিয়ে আসা দরকার, সেটা ভোলানো হয়েছে।এইটা নিয়েও ওর সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল। পরের দিন আমি দলের বহু জনের থেকে ফোন পেলাম। অনেকে হয়তো সাহস করে আমাকে বলতে পারল না।আমার সঙ্গে যারা থাকে, তার বলল, এটা দাদা কী করল !...আমরা মার খাচ্ছি, আর ওখানে দাদা বসে কুণালের সঙ্গে যেভাবে কথা বলছে...। আসলে, দুটো দিক আছে। ...কারণ এখন বিজেপি করেছে নির্বাচনে, প্রার্থী হয়েছে, ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়ে, বাড়ি ঢুকতে হয়েছে।























