Suvendu On SIR:"কপালে দুঃখ রয়েছে.." ! মমতার করা মামলায় 'সুপ্রিম' নির্দেশের পর কাদের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর ?
Suvendu On SC Order On Mamata SIR Case: মমতার করা মামলায় "সুপ্রিম" নির্দেশের পর কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর ?

কলকাতা: একদিকে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে আদালত জানাল, মাইক্রো অবজার্ভাররা নন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই। আরেকদিকে নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিয়ে আদালত স্পষ্ট করল SIR প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না। এই প্রেক্ষাপটে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। শুভেন্দু বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযান, নাটক-ড্রামা, উনি চেষ্টা করেছেন SIR বন্ধ করতে।"
আরও পড়ুন, কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পুলিশের বাড়িতে তল্লাশি, খোদ বুদবুদ থানার OC-কে তলব ED-র
শুভেন্দু বলেন, মাইক্রো অবজারভারদের, তার যে পাওয়ার এবং ফাংশান ইলেকশন কমিশন বলেছে, কার্যত এরা...অ্যাক্ট অনুযায়ী, নাম তোলা বা খারিজ করার কমপ্লিট পাওয়ার, ইআরও-দের হাতে। দুটো কলাম থাকে, অ্যাকসেপ্ট / রিজেক্ট। এবারে যেগুলি ভুয়ো বা সন্দেহজনক, তাঁকে আপনি অ্যাকসেপ্ট করেন, সেক্ষেত্রে ইআরও-দের বিরুদ্ধে, আমরাও ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরোনোর পরে, কোর্টে যেতে পারি। স্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং ভোটার হিসেবে, আমাদেরও এই অধিকার রয়েছে। তাই, মাইক্রো অবজারভাররা যেমন নজরদারির কাজ করছেন, তেমনি যেখানে সন্দেহজনক আছে, যার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে, এইরকম ভোটারদের যদি ইনক্লুড করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা নন্দিনী চক্রবর্তী বা আইপ্যাকের কথায়, তাহলে ইআরও-দের কপালে কিন্তু দুঃখ রয়েছে। যে রাস্তাটা তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার নেত্রী , সুপ্রিম কোর্টে খুলে দিলেন, তার ফলে ফাইনাল ভোটার লিস্ট পরে, সন্দেহজনক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, মূলত বাংলাদেশি মুসলিম এবং রোহিঙ্গা, এদের নাম যদি ভোটার তালিকায় থেকে যায়, ১৮ বছরের নীচে যদি কোনও লোকের নাম থেকে যায়, মৃত লোকের নাম যদি থেকে যায়, তার পুরো দায়িত্ব বর্তাবে ইআরও। '
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, মাইক্রো অবজার্ভাররা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। কারও নাম বাদ দিতে পারবেন না। এটা তো প্রথম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দায়ের মামলায় সোমবার সুপ্রিম কোর্টে কখনও রাজ্য় সরকার স্বস্তি পেয়েছে, কখনও নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যে যার মতো বুক ঠুকছে! আইনজীবী ও তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোর্ট বলছে না, এদেরকেই নিতে হবে। এরা লোকাল ভাষা জানে। তুমি বাইরের থেকে যাকে নিয়ে আসছ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার থেকে সে তো আর লোকাল ভাষা জানবে না। লোকাল নামটা কী হবে, সেটা তো তারা বলতে পারবে।' সোমবার সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন SIR মামলার আবেদনকারী মোস্তারি বানু। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সিতে তার নাম কেটে দেওয়া হয়।এরপর সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন তিনি।























