Suvendu Adhikari: 'আপনি কোনও দিন বিরোধীদের বাড়িতে যাননি, আমি কিন্তু এসেছি তৃণকর্মীর বাড়ি', মমতাকে 'দায়িত্ব শেখালেন' শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, 'গতকাল না জানিয়ে এসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কিছুই ঘটেনি, পাথরের গল্প মানুষ দেখেছে। বিজেপির কেউ জড়িত নন।'

কলকাতা: গতকাল হালিশহরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার পর আজ হালিশহরে মৃত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন হালিশহর থানাতেও যেতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। হালিশহরে মৃত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হালিশহরে আসা নিয়েও পাল্টা মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'মৃত্যু নিয়ে কাউকে রাজনীতির সুযোগ দেননি পরিবারের লোকেরা। মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারকে ধন্যবাদ, তারা সরকারের ওপর আস্থা রেখেছে। গতকাল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেনি পরিবার। প্রশাসনের ওপরই আস্থা মৃতের পরিবারের, এটা আমাদের বড় পাওনা।'
শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, 'গতকাল না জানিয়ে এসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কিছুই ঘটেনি, পাথরের গল্প মানুষ দেখেছে। বিজেপির কেউ জড়িত নন। পুলিশকে আপনি কোনও সুযোগই দেননি। আপনি যেখানে খুশি যেতে পারেন, পুলিশে জানিয়ে যাবেন। গত ১৫ বছরে ৩১৫ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছেন। নিহত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে এলাম, আপনি কোনও দিন বিরোধীদের বাড়িতে যাননি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কী দায়িত্ব পালন করতে হয়, আপনাকে শিখিয়ে দিয়ে গেলাম। কেউ পাথর ছোড়েনি, এটা জনরোষ। আপনি পুলিশকে জানিয়ে আসেননি'।
হালিশহরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'মুখ্য পুলিশি হেফাজতে শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবার। পুলিশি হেফাজতে মারা গেছেন, এটা সত্যি। কতটা অত্যাচার হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে বোঝা যাবে। পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত, IO সাসপেন্ড, IC-কে ক্লোজ করা হয়েছে।'
মৃতের স্ত্রীকে আমার অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
কী ঘটনা?
গত শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরিবারের দাবি, প্রথমে তিনি সুস্থই ছিলেন, তাঁর স্ত্রী জেনি শর্মা কেওট-ও দেখা করেছিলেন। কিন্তু হালিশহর থানার পুলিশের দাবি, শুক্রবার ভোররাতে ওই যুবককে অসুস্থ অবস্থায় লকআপে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এবং হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। যদিও পরিবারের অভিযোগ, লকআপে পুলিশের মারেই বিরজুর মৃত্যু হয়। কিন্তু পুলিশের তরফে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এবার সেই ঘটনার তদারকি করতে আজ হালিশহরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এর আগে রবিবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং তাঁর সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেনরা হালিশহরে উপস্থিত হন। তবে সেখানে ঢোকা মাত্রই মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে আমজনতা। এমনকি ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়।






















