Jahangir Khan: উঠেছে রক্ষাকবচ, ফলতায় 'বেপাত্তা পুষ্পা', এবার গ্রেফতার জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ নেতা
TMC Leader Arrested: ফলতার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা এসইজেডের একটি কারখানায় দীর্ঘদিন শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা ও কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ গ্রেফতার হওয়া নাসির শেখের বিরুদ্ধে।

গৌতম মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ফলতা : দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় শ্রমিকদের থেকে তোলাবাজির অভিযোগে জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ INTTUC নেতা নাসির শেখকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ফলতার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা এসইজেডের একটি কারখানায় দীর্ঘদিন শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা ও কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। গতকাল নাসির শেখকে ঘেরাও করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। নাসির শেখকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করে রামনগর থানা। ধৃতকে আজ ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।
এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় বেপাত্তা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তার গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলতার শ্রীরামপুরে জাহাঙ্গিরের বাড়ি ভেতর থেকে তালাবন্ধ করা রয়েছে। এরমধ্যে গতকাল জাহাঙ্গির খানের রক্ষাকবচ তুলে নিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছে ফলতার সাধারণ মানুষ।
২৯ এপ্রিল ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথমবার ভোট হয়েছিল। ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ পেয়ে নির্বাচন কমিশন সেই ভোট বাতিল করে। এরপর গত ২১ মে ভোট হয় ফলতায়। ২৪মে তার ফল বেরিয়েছে। গো-হারা হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তাঁর জামানত জব্দ হয়েছে। ২১মে ভোটের আগেই অবশ্য নিজেকে লড়াইয়ের ময়দান থেকে আচমকাই সরিয়ে নেন জাহাঙ্গির। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ২৬ মে পর্যন্ত জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে ফলতার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী, জাহাঙ্গির খানের রক্ষাকবচ আর নেই। তাঁর অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ায়নি কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কড়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে নেই কোনও আইনি বাধা। এদিকে আপাতত কোনও খোঁজ নেই জাহাঙ্গির খানের।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়পুরে ধৃত ২জন তৃণমূল কর্মীকে কোমরে দড়ি বেধে এলাকায় ঘোরাল পুলিশ। জোর করে জমি দখল, ভোট পরবর্তী হিংসা, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ধৃতদের কোমরে দড়ি বেধে এলাকায় ঘোরায় পুলিশ। ধৃত শেখ বাপ্পা, জাহাঙ্গির হাজিকে দেখে চোর স্লোগান দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।






















