Amit Shah: 'অমিত শাহ হলেন আমাদের লক্ষ্মী পেঁচা' ! খোঁচা তৃণমূল নেতা অরূপের
Arup Attacks Amit Shah: ২০২৬ সালে তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গেও এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়বে এনডিএ', হুঙ্কার অমিত শাহের, জোর কটাক্ষ তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তীর

কলকাতা: ২০২৬ সালে তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গেও এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়বে এনডিএ', হুঙ্কার অমিত শাহের । ২০২৪ সাল থেকে টানা জয় পেয়েছে বিজেপি-এনডি এ জোট' । হরিয়ানায় তৃতীয়বার জয় পেয়েছে বিজেপি-এনডিএ জোট, এবার তামিলনাড়ু-পশ্চিমবঙ্গের পালা', হুঙ্কার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। পাল্টা নিশানা তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তীর।
আরও পড়ুন, কংগ্রেসে ফিরেই মৌসমকে 'সুখের পায়রা' বলে কটাক্ষ দলেরই বর্ষীয়ান নেতার
তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী বলেন, 'স্বপ্ন দেখতে তো জিএসটি লাগে না। এখনও ভারত সরকার স্বপ্ন দেখার উপর জিএসটি লাগু করেনি। এখন অমিত শাহ যদি দিবাস্বপ্ন দেখতে চান, আপত্তির কিছু নেই। সংবিধানে গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যে স্বপ্ন দেখাও পড়ে। কিন্তু অমিত শাহ হলেন আমাদের লক্ষ্মী পেঁচা। অমিত শাহ যেটা বলেন, সেটাই হয়, সেটা তৃণমূলের জন্য। গতবার যেমন বলেছিলেন, আবকি বার ২০০ পার। তো বাংলার মানুষ, তৃণমূলকে পার করে দিয়েছিল। লোকসভায় বলেছিলেন ইসবার ৩০ পার, বাংলার মানুষ মমতাদিকে.. জয়ী করেছে। আর এইবার যখন অমিত শাহকে বলে দিয়েছে, এবার পশ্চিমবঙ্গ, ঠিক যেমন গতবারে বলেছিল, এবার বাংলা , পারলে সামলা। তো বাংলার মানুষ এবারই তখন মনস্থির করে নিয়েছে, আবারও এবার চতুর্থবার মমতাদির নের্তৃত্বে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে মা-মাটির সরকার গঠিত হবে। '
সম্প্রতি সায়েন্স সিটিতে বিজেপির বুথ কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে, এই দুই বিষয়কেই হাতিয়ার করেছিলেন অমিত শাহ। বিজেপি সূত্রে খবর, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ দুটি কারণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে। একটি হল দুর্নীতি, আরেকটি হল অনুপ্রবেশ। এরাজ্যে দুর্নীতি ও অনুপ্রবেশ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। এখানে সরকার এবং প্রশাসন পরিকাঠামোগতভাবে এই কাজে মদত দিয়ে চলেছে। ক্রমাগত জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটে চলেছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হলে, আমাদের ক্ষমতায় আসা দরকার। সাংবাদিক বৈঠকেও অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি ইস্য়ুতে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন অমিত শাহ।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, 'আপনারই সরকার জমি দেয় না, যার জন্য ফেন্সিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ হয় না। সীমান্ত দিয়ে কেউ ঢুকলে প্রথমে কোথায় যায়? আপনার পঞ্চায়েত, থানা কী করছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে সিন্ডিকেট, তোলাবাজি, কাটমানি, শুধু এগুলোকে প্রশ্রয় নয়, এখানে টাকা কামানোর অধিকার একজনেরই আছে, ভাইপোর, আর কারও টাকা কামানোর অধিকার নেই। সবেতে ভাগ দিতে হয়।'






















