West Bengal SIR: "ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার ভবানীপুরে নেই", SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই আক্রমণ শুভেন্দুর
West Bengal SIR: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "ভবানীপুরে ৪৫ হাজার প্রথম রাউন্ডে গেছে আর বিবেচিত হবে ১৪ হাজার ৫১৪ অর্থাৎ মোট ৬০ হাজার।" তিনি বলেন, "ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার ভবানীপুরে নেই। এসআইআরে পরিষ্কার।"

West Bengal SIR: আজ অর্থাৎ ২৮ তারিখ প্রকাশিত হল এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List)। এদিনের দিকে তাকিয়েছিল আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসী। এসআইআরে নাম বাদ দিয়ে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের কোথায় কত নাম বাদ গিয়েছে, এই প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য পরিষ্কার করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, "ভবানীপুরে ৪৫ হাজার প্রথম রাউন্ডে গেছে আর বিবেচিত হবে ১৪ হাজার ৫১৪ অর্থাৎ মোট ৬০ হাজার।" তিনি বলেন, "ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার ভবানীপুরে নেই। এসআইআরে পরিষ্কার।"
১ কোটি ভোটার কি বাদ যাবে? এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আমি বলছি ২৬ দিন অন্তর অন্তর বাচ্চা হতে পারে না। আমি বলছি একজনের ১০০টা বাচ্চা থাকতে পারে না। এগুলোর নামই তো এল.ডি। এগুলো তো দেখবেন জজেরা। অভ্যন্তরীণভাবে আমি যেটুকু খবর পাচ্ছি, জুডিশিয়ারি খুব গুরুত্বের সঙ্গে ব্যাপারটা করছে। এটি খুব ভালো লক্ষণ। তাঁরা কখনও কারও দ্বারা প্রভাবিত হন না। তাঁরা নথির ওপর করেন। এখানে নথি নষ্ট করারও জায়গা নেই। আমি ইচ্ছে করলেই কিছু করতে পারব না। কারণ ডিজিট্যাল ফুটপ্রিন্টের ওপরেই বিবেচনাটা হচ্ছে। ওটা আমি আপনি চাইলে বদলাতে পারব না।" রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, "প্রথম দফায় ৫৮ লক্ষ, পরে অনুপস্থিত ইত্যাদি মিলে প্রায় ৫-৬ লক্ষ, এই করে ৬৩-৬৪ লক্ষ তো বাদ গেছে, বাকি ৬৫ লক্ষ বিবেচনায় গেছে। আমার কাছে অফ দ্য রেকর্ড একটা তথ্য আছে, কিন্তু সেটা আমি বলছি না।"
নন্দীগ্রামে কত নাম বাদ গেছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারী সেই প্রসঙ্গে বলেন, "ভবানীপুরের কাউন্টার করার জন্য এসব বলছে। আমার মৃত ভোট, অ্যাবসেন্ট ভোট দেওয়ার কোনও দরকার হয় না। ওটা নিয়ে একটু কম কথা বলুক। আমি তো ওদের তিন বার হারিয়েছি। শুধু একুশে নয়। পঞ্চায়েতে আমি হারিয়েছি। ১৭টা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১টাতে আমি হারিয়েছি। দুটো পঞ্চায়েত সমিতি হারিয়েছি। আমার লিড ছিল ২ হাজার, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের লিড হয়েছে ৮ হাজার ২০০।"
এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে বিএলও-দেরও নাম। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সুর চড়িয়ে বলেন, "এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়োগকৃত BLO এবং AERO-রা। এরাই জটিলতা করেছে। মাইক্রোঅবজার্ভারের উপদেশ নিয়ে এদেরই নিস্পত্তি করে দেওয়া উচিত ছিল। রাজ্য সরকার বিএলও নিয়োগ করেছে। দায়ভার তো রাজ্য সরকারকে নিতে হবে। রাজ্য সরকারে তো সবাই ল্যাম্পপোস্ট, একটাই তো পোস্ট - মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবাই জানে।"
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ নিয়ে অশান্তির আশঙ্কা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আমি যেটুকু শুনেছি, গতকাল শুক্রবারের প্রার্থনার পরে ইমাম সাহেবরা পুলিশের অনুরোধ বা চাপে সর্বত্র বলেছেন, কেউ ঝামেলা করবেন না। আপনাদের বিষয়টা দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, কোচবিহারের তৃণমূল নেতারা বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আশ্বস্ত করেছে যে, ভোটটা এবার দিতে পারবে না। কিন্তু ভাতাটা চালু থাকবে। তারাও বলেছে আমাদের ভোট দেওয়ার দরকার নেই, ভাতাটা চালু থাকলেই হবে।"
























