West Midnapur News: প্রকাশ্য রাস্তায় তুমুল ঝগড়া স্বামী-স্ত্রীর, টানা-হেঁচড়ায় প্রাণ গেল ৩ মাসের শিশুর ! মর্মান্তিক ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরে
West Midnapur Child Death : স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছিলেন স্বামী, শেষে প্রকাশ্য রাস্তায় তুমুল ঝগড়া, টানা-হেঁচড়ার মাশুল দিতে হল কোলের সন্তানকে !

সোমনাথ দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর: স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় প্রাণ গেল তিন মাসের শিশুর। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার। গোপীগঞ্জ-সুলতান নগর সড়কের সয়লা জোড়া মন্দির এলাকায় ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। সূত্রের খবর, দম্পতির আসল বাড়ি হাওড়া জেলার ভাটোরা এলাকায়।
আরও পড়ুন, রাজ্যে ফের নকল ওষুধের পর্দাফাঁস, গুণমান যাচাইয়ের পরীক্ষায় ফেল ডায়াবেটিসের এই ওষুধ !
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। গৃহবধূর অভিযোগ, স্বামী রাজু দাস তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। সেই সমস্যার সমাধান করতে আজ সন্ধ্যায় স্ত্রী সালমা খাতুনকে সয়লা এলাকায় দেখা করতে ডাকেন রাজু।সালমা টোটো করে সেখানে পৌঁছলে রাস্তার মধ্যেই দু’জনের মধ্যে ফের ঝগড়া শুরু হয়। তর্কাতর্কির মাঝে টানা-হেঁচড়ার ফলে সালমার কোলে থাকা তিন মাসের শিশু সান্নি দাসের গায়ে আঘাত লাগে। আঘাত লাগার বিষয়টি টের পাওয়ার পর দ্রুত শিশুটিকে সোনাখালি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে দাসপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাজু দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে।স্বামী–স্ত্রীর বিবাদের জেরে নিষ্পাপ শিশুর মৃত্যু, ঘটনায় হতবাক স্থানীয় মানুষজন।
অপরদিকে, মালদাতেও এক দম্পতির মধ্য়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদের জল গড়িয়েছে অনেকদূর। প্রথমে ঘরে ঢুকতে বাধা স্বামীকে। জোর করে ঘরে ঢুকতে গেলে স্বামীকে চাকু মারার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদার বামনগোলা থানার পাকুয়াহাট পঞ্চায়েতের উত্তর সালালপুর গ্রাম । পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নামবিশ্বজিৎ সরকার ( ৩১)। অভিযুক্ত স্ত্রী পম্পা রায় সরকার। বিশ্বজিতের পরিবারে চার বছরের একটি কন্যা রয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বিশ্বজিত বাইরে থেকে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করতে গেলে তার তার স্ত্রী পম্পা ঘরের মধ্যে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর বিশ্বজিতের স্ত্রী পম্পা বাড়ির ভেতর থেকে চাকু বের করে বিশ্বজিতের বা দিকের পেটে আঘাত করে বলে অভিযোগ। বিশ্বজিতের চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ির ছুটে এসে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায় সেইখান থেকে রাতে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা চলাকালীন গভীর রাতে মৃত্যু হয় বিশ্বজিতের।






















