BIG NEWS: ধর্নায় তৃণমূল, রাস্তায় বসলেন কুণাল ঘোষ-শশী পাঁজা, কলকাতার এই স্ট্রং রুমের সামনে বেনজির দৃশ্য
তৃণমূলের অভিযোগ, এই স্ট্রংরুমে ভিতরে যে ইভিএম মেশিন রয়েছে সেখানে এই কেন্দ্রের ভিতরে একাধিক লোক রয়েছে।

কলকাতা: ভোট শেষে এক বেনজির দৃশ্য কলকাতায়। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় তৃণমূল। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে ধর্নায় তৃণমূল। রাস্তায় বসলেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় তৃণমূল। অসুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে স্ট্রং রুম, দাবি তৃণমূলের।
ঠিক কী অভিযোগ?
তৃণমূলের অভিযোগ, এই স্ট্রংরুমে ভিতরে যে ইভিএম মেশিন রয়েছে সেখানে এই কেন্দ্রের ভিতরে একাধিক লোক রয়েছে। তারা ওই ইভিএম মেশিন নিয়ে কিছু একটা করছেন। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, স্ট্রং রুমের ভিতরে যে ক্যামেরা আছে সেখানের ছবি বাইরে বসে দেখা যাচ্ছে, সেই ছবিতেই এই দৃশ্য দেখা যায় বলে অভিযোগ। কারা এঁরা? কীভাবে প্রবেশাধিকার পেলেন? সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।
শশী পাঁজার অভিযোগ, 'ওঁরা যখন এই কেন্দ্রের স্ট্রংরুম খুলছিলেন তখন দেখেন কোনও দলের প্রতিনিধি সেখানে নেই। আমাদের প্রশ্ন তখন কেন আমাদের কারওকে ফোন করা হল না? কেন বলা হল না এখানে কেউ নেই? এখন আমরা যখন এখানে বসে আছি তখন আমাদের এই যুক্তি কেন দেওয়া হচ্ছে যে অন্যরা আসুক তারপর যেতে দেওয়া হবে?'
কুণাল ঘোষের অভিযোগ, 'আমাদের ঢুকতে দিল না, এখন নিমন্ত্রণ পাঠাচ্ছে বিজেপিকে।'
তৃণমূলের তরফে আরও দাবি, ' বিকেলে হঠাৎ ক্যামেরা নম্বর ১৭-তে মুভমেন্ট দেখা যায়। আমাদের লোকেরা নির্বাচন কমিশনের স্ক্রুটিনির কাজের জন্য ৩.৩০টে ৪টে অবধি এখানেই ছিল। তখন তাঁদের জানান হয়নি এখানে মেশিন খোলা হবে। এবার হঠাৎ মেইল পাঠাচ্ছে যে মেশিন খোলা হচ্ছে। আমরা জানি আমাদের টিম আছে। অথচ ওদের জানান হয়নি। এটা আনগার্ডেড রয়েছে। শশীদি ছুটে এসেছে। সিইও বলছেন স্ট্রংরুম সিল, ওদিকে ভিতরে কাজ চলছে। লাইভ স্ট্রিমিং তো ইলেকশন কমিশনের। ওদের দাবি পোস্টাল ব্যালটের কাজ হচ্ছে। সেটা এল কোথা থেকে?'
এই বিষয়ে শশী পাঁজার দাবি, 'একটা স্ট্রং রুম খোলা হচ্ছে মানে সেটা সব দলকে আগে জানাতে হবে। সকলের প্রতিনিধি থাকলে তবে হাত দেওয়া যায়। এখানে কোনও দলের কেউ ছিল না। তাহলে কেন খোলা হল? এখন আমরা এসেছি। বলছে বাকিরা আসুক তারপর ঢুকতে দেবে। কেন হবে এটা?'
এর আগে ইভিএম-এ আশঙ্কা প্রকাশ মমতার
এদিন এক্স পোস্টে ভিডিও বার্তায় মমতা বলেন, 'আমি আমাদের কর্মীদের বলব একজোট থাকতে। যাতে গণনার দিনের জন্য আজ থেকেই পাহারা দেয় সকলে। দরকার হলে আমিও আমার এলাকায় পাহারা দিতে নামব। ২৯৪ কেন্দ্রে প্রার্থীরা পাহারা দিন। দিনের বেলায় কর্মীদের রাখুন, রাতের বেলায় নিজেরা থাকুন পাহারা দিন। আমি যদি পাহারা দিতে পারি, আপনারাও পাহারা দিতে পারবেন। রাত জাগুন, পরের দিন টিমকে হ্যান্ডওভার দিয়ে যান। তাঁর কারণ এভিএম মেশিন যখন স্টোর থেকে কাউন্টিং রুমে নিয়ে যাবে তখন ওঁরা প্ল্যান করেছে মেশিন বদলে দেওয়ার। সুতরাং নজর রাখতে হবে। এই কাজ করার সময় কোনও অবহেলা যাতে না হয়। কাউন্টিংয়ে যোগ্য লোককে বসাবেন। আমি যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রেস কনফারেন্স করে বলছি ততক্ষণ কেউ কাউন্টিং টেবিল ছাড়বেন না।'





















