Suvendu Adhikari: 'অনেক দায়িত্ব, এখন একে অপরের সমালোচনা করার সময় নয়, আমরা করব জয়', রবীন্দ্রজয়ন্তীতে কেন শপথ গ্রহণ, জানালেন শুভেন্দু অধিকারী
Suvendu Adhikari Oath Taking Ceremony: শপথ গ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারী সোজা পৌঁছে যান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে। সেখান থেকে তিনি জানিয়েও দেন যে ঠিক কোন কারণে আজকের দিনেই হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

কলকাতা: আজ ২৫ বৈশাখ, রবীন্দ্র জয়ন্তী। আর সেই রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ গ্রহণের পর তিনি সোজা পৌঁছে যান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি জোড়াসাঁকোয়। সেখান থেকে তিনি জানিয়েও দেন যে ঠিক কোন কারণে আজকের দিনেই হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ
তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে কোনও বিতর্কিত কথা বলতে চাইলেন না। এ ছাড়াও যাঁরা সমালোচনা করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে বললেন 'চৈতন্য হোক'। তিনি বললেন, "বাংলা, বাঙালির সংস্কৃতি, কবিগুরুর চেতনায়, কবিগুরুর ভাবনাতে হবে। আজ তারই শুভ সূচনা। একটাই মন্ত্র, সেটা স্বামীজীর চরৈবেতি। ধুতি, পাঞ্জাবীতে থাকা ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের তৈরি করা আদর্শের ভিত্তিতে যে রাজনৈতিক দল, তাকে কারও কাছে থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে না। আমি এখন সকলের মুখ্যমন্ত্রী, বিতর্কিত কথা বলব না। আমি চাই শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। আমি শুধু বলব যাঁরা এখনও সমালোচনা করছেন তাঁদের চৈতন্য উদয় হোক।"
এরপর শুভেন্দুর মুখে শোনা গেল বাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। এ ছাড়াও তিনি এগিয়ে যাওয়ার ও পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে গড়ে তোলার কথাও বললেন। শুভেন্দু বললেন, "আসলে বাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। শিক্ষা হারিয়ে গিয়েছে, সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমরা বাংলাটাকে নব নির্মাণ করব। অনেক দায়িত্ব। এখন রাজনৈতিক কচকচানি, একে অপরের সমালোচনার সময় নয়। যারা করতে চাইছে করুক। আমরা শুধু এগিয়ে যাব। উই শ্যাল ওভার কাম, আমরা করব জয়। বিবেকানন্দের ভাষায় চরৈবেতি, চরৈবেতি।"
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী, সঙ্গে আরও ৫ মন্ত্রী, শপথ পাঠ করালেন রাজ্যপাল
এ ছাড়াও তিনি বললেন ঠিক কোন কারণে আজকের দিনেই হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তিনি বললেন, "আজকের দিন দেশের জন্য ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা ছিল রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনই নব নির্বাচিত সরকার তাদের কাজ শুরু করে। সেই কারণেই আমরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কবিগুরুকে প্রণাম করে আজ সংবিধানকে মেনে শপথ নিলাম। আর তারপরই আমার সরকারি কাজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রণাম করে, মাল্যদান করে জোড়াসাঁকো থেকে শুরু করলাম।" তারপর তাঁর গলায় শোনা গেল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্ত যেথা ভয়শূন্য'।
সেরা শিরোনাম





















