Narendra Modi: 'নন্দীগ্রাম পথ দেখিয়েছিল, ভবানীপুরেও একই ফল হবে', শুভেন্দুকে পাশে নিয়েই মমতাকে হুঁশিয়ারি মোদির
WB Election 2026: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিলেন নরেন্দ্রে মোদি। পাঁচ বছর আগে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারী হারিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়াপাধ্যায়কে।

হলদিয়া: বৃষ্টি মাথায় নিয়েই অসংখ্য সমর্থক এসেছেন। অনেকের হাতেই নরেন্দ্র মোদির কাট আউট বা হাতে আঁকা ছবি। একবার প্রিয় নেতাকে দেখার, তাঁর কথা শোনার জন্যই এতকিছু। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আগে ফের প্রচারে নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার রাজ্যে তিন কেন্দ্রে তিনটি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। যার শুরুটা হল হলদিয়ার সভা থেকে। সেখানে মাখনবাবুর বাজারে সভা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েক হুঁশিয়ারি দিলেন নরেন্দ্রে মোদি। পাঁচ বছর আগে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারী হারিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়াপাধ্যায়কে। এদিন সেই শুভেন্দুকেই মঞ্চে পাশে রেখে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ এবার ভবনীপুর কেন্দ্রে মমতা বনাম শুভেন্দু দ্বৈরথ।
এদিন সভায় উঠেই মেদিনীপুরের মানুষকে নমস্কার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলা শুরু করেন, ''এটি পরিবর্তনের ঝড়, তৃণমূল সরকারের যাওয়ার ঝড়। নন্দীগ্রামে ৫ বছর আগে বদলের পথ দেখিয়েছিল, এবার পুরো পশ্চিমবঙ্গ সেই পথে হাঁটছে। ৫ বছর আগে নন্দীগ্রামে যা হয়েছিল, এবার ভবানীপুরেও হবে, পশ্চিমবঙ্গেও হবে। পশ্চিমবাংলার নির্বাচন সামান্য নয়, বাংলার বৈভব স্থাপনের নির্বাচন। নির্মম সরকারের বিদায় হলেই বিকশিত বাংলা হবে।''
অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়েও এদিন তৃণমূল সরকারকে খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ''তৃণমূলের নির্মম সরকার শুধু অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়িয়েছে। তৃণমূলের নির্মম সরকার শুধু নকল নথি বানিয়েছে। তৃণমূলের রাজনীতি শুধু ভয়ের ওপর নির্ভরশীল।''
বাংলায় চাকরি নেই, এই নিয়ে এর আগেও সোচ্চার হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। নরেন্দ্র মোদি বলেন, ''যে যে রাজ্যে বিজেপির সরকার, সেখানে উন্নতি এটাই প্রমাণ করে যে বাংলায় এমনই উন্নতি হবে, ভয়কে বিদায় দেওয়া হবে। পশ্চিমবাংলার যুবকদের সঙ্গে যা করেছে তৃণমূল, ১০০ বছরেও তা পূরণ করতে পারবে না। কারখানা, বিনিয়োগ ভয় নয়, ভরসায় চলে। সিন্ডিকেটের গুন্ডারাজ, কাটমানি ও কমিশন ছাড়া কিছু চলে না। কারখানাতেও সিন্ডিকেটের গুন্ডারাজ, ভয় দেখানো চলছে। এই ভরসা শুধু বিজেপিই দিতে পারে। প্রাইভেট সেক্টরে চাকরি নেই, যা ছিল তা অনুপ্রবেশকারীদের দিয়ে দিয়েছে। সরকারি চাকরি তৃণমূলের মন্ত্রীরা লুঠ করেছে। যুবকদের স্বপ্ন পদদলিত করেছে তৃণমূল। যুবকদের মনে শঙ্কা তৈরি করেছে, পরীক্ষা তো দিচ্ছি, কিন্তু কী হবে? বাংলার যুবকদের ফের ধোঁকা দিচ্ছে তৃণমূল।''
এদিনই আসানসোল ও সিউডিতে আরও দুটো সভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির।





















