Arjunn Dutta: স্বপ্নপূরণ করল 'ডিপ ফ্রিজ', জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করলেন অর্জুন
National Film Award for Best Bengali Feature Film: খুব একটা দীর্ঘ কেরিয়ার নয় অর্জুনের। তবে যে কয়েকটা ছবি করেছেন তিনি, তাতেই জিতে নিয়েছেন দর্শকদের মন।

কলকাতা: এবার বাংলা থেকে তিনিই একমাত্র। অনেক বাধা, অনেক কঠিন সময় পেরিয়ে পরিচালক তৈরি করেছিলেন এই সিনেমা। হয়তো তিনি নিজেও প্রত্যাশা করেনি, এই সিনেমা পেতে পারে জাতীয় পুরস্কার! বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্ম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অর্জুন দত্ত (Arjun Dutta) পরিচালিত ছবি 'ডিপ ফ্রিজ' (Deep Fridge)-কে। এই খবর প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। অবশেষে, মঙ্গলবার ছিল সেই জাতীয় পুরস্কারকে হাতে তুলে নেওয়ার, ছুঁয়ে দেখার দিন। মঙ্গলবার, নয়াদিল্লিতে ৭১তম ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জাতীয় পুরস্কার হাতে তুলে নিলেন অর্জুন।
এদিন জাতীয় পুরস্কার হাতে তুলে নেন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan), রানি মুখোপাধ্যায় (Rani Mukherji) ও বিক্রান্ত ম্যাসি (Vikrant Massi)। একই সঙ্গে, একই মঞ্চে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নিলেন অর্জুন ও। এটাই তাঁর কেরিয়ারের প্রথম জাতীয় পুরস্কার। খুব একটা দীর্ঘ কেরিয়ার নয় অর্জুনের। তবে যে কয়েকটা ছবি করেছেন তিনি, তাতেই জিতে নিয়েছেন দর্শকদের মন। তাঁর ছবিতে সবসময়েই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়ে এসেছে নারীরা। মেয়েদের মনের কথা কি একটু বেশিই ভাল করে বোঝেন অর্জুন? তাঁর ছবিতে বারে বারে ফুটে ওঠে, সম্পর্কের জটিলতার গল্প। 'ডিপ ফ্রিজ' -ও তেমনই একটা সম্পর্কের গল্প।
কবিতার লাইনে ছিল.. 'সংসার না বৈরাগ্য... কী জীবন হয় ছেঁড়া পাতার?' বিচ্ছেদের পরে কী জীবন হয় ছেঁড়া সম্পর্কের? এক প্রাক্তন স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদের পরের অভিজ্ঞতার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন ছবি 'ডিপ ফ্রিজ' (Deep Fridge)। ছবির মুখ্যভূমিকায় রয়েছেন আবির চট্টোপাধ্যায় (Abir Chatterjee) ও তনুশ্রী চক্রবর্তী (Tnusree Chakraborty)। এছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে দেবযানী চট্টোপাধ্যায় (Debjani Chatterjee), অনুরাধা মুখোপাধ্যায় (Anuradha Mukherjee), শোয়েব কবীর (Shoaib Kabeer) ও লক্ষ্য ভট্টাচার্য্য (Lakshya Bhattacharya)।
জাতীয় পুরস্কার জয়ের পরে, অর্জুন এবিপি লাইভ বাংলাকে বলেছিলেন, 'নিজের মতো করেই সিনেমাটা বানিয়েছিলাম। অত প্রচার পাইনি বানানোর সময়। ইন্ডাস্ট্রিতে মুষ্ঠিমেয় মানুষই প্রচার পান। আমি সেই দলে পড়ি না। তবে নিজের মতো করেই চেষ্টা করেছিলাম। সিনেমাটি ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় সমাদৃত হয়েছে। তবে এটা প্রত্যাশা করিনি। এই সিনেমার শ্যুটিং করার সময়েই মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিরল রোগ ধরা পড়ে মায়ের। ১ বছরের মধ্যেই মা-কে হারাই। আমার মনে হচ্ছে, মা যেন পুরস্কারটা আমায় পাইয়ে দিলেন। উনি উপর থেকে কলকাঠি না নাড়লে, কিছুই হত না..' ।






















