Dev-Anirban: 'অনির্বাণ আমার সাবজেক্ট নয়, টেকনিশিয়ান্সদের কাজ বাড়ানোটাই লক্ষ্য', টলিউডের 'ব্যান' প্রসঙ্গে স্পষ্ট বার্তা দেবের
Dev on Anirban Issue: 'একের পর এক চ্যানেল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, কাজ কীভাবে বাড়বে? তার ওপর যদি আমরা একে অপরকে ব্যান করতে শুরু করি.. তাহলে চলবে কি করে?' স্পষ্ট বার্তা দেবের

- রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ঘটনার পর সুরক্ষা নিয়ে দাবিতে কর্মবিরতি পরে তুলে নেওয়া হয়।
- দেব টলিউডে অলিখিত 'ব্যান' থাকা অভিনেতা-পরিচালকদের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার দাবি জানান।
- ডিরেক্টরস গিল্ড আলোচনায় বসতে রাজি, মামলা তুলে নেওয়ার ব্যাপারেও হতে পারে কথা।
- দেব চান, টলিউডের সার্বিক উন্নতি ও সবার কাজ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হোক।
কলকাতা: ৭২ ঘণ্টা কাটার আগেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর দিয়েছিলেন দেব (Dev)। সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছিলেন, লম্বা একটি বার্তা। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরে কলাকুশলীদের সুরক্ষা নিয়ে একগুচ্ছ দাবি রেখেছিল আর্টিস্ট ফোরাম। সুরক্ষা না পেলে কর্মবিরতির ও ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে তার পরেরদিনই মিটিং করে তুলে নেওয়া হয় কর্মবিরতি। সাংবাদিক সম্মেলন করে জানানো হয়, নির্দিষ্ট SOP তৈরি হয়েছে এবং তা যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব লাগু করা হবে। আর এদিনের মিটিংয়েই হঠাৎ, একটি অন্য দাবি রাখেন দেব।
দেবের দাবি
সাংবাদিক সম্মেলনে হঠাৎ দেব বলেন, টলিউডে যে সমস্ত অভিনেতা পরিচালকদের ওপর অলিখিত 'ব্যান' রয়েছে, যাঁরা কাজ করতে পারছে না, তাঁদের ওপর থেকে এবার উঠে যাবে সেই নিষেধাজ্ঞা। যদিও এই নিষেধাজ্ঞা খাতায় কলমে নয়। দেব জানান, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) তাঁকে কথা দিয়েছেন যে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তিনি বিষয়টি নিয়ে স্বরূপ বিশ্বাস বা যাঁদের যাঁদের সঙ্গে প্রয়োজন কথা বলবেন ও সমাধানসূত্র বের করবেন।
দেবের আজকের পোস্ট
এরপরে, আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা একটি পোস্ট করে দেব জানান, আলোচনায় বসতে রাজি ডিরেক্টর্স গিল্ড। সেই সম্পর্কিত ইমেল পর্যন্ত এসেছে। এখানেই শেষ নয়, অভিনেতা জানান যাবতীয় মামলা তুলে নেওয়ার ব্যাপারেই কথা হতে পারে। অভিনেতা আরও লেখেন, 'টলিউডের সার্বিক উন্নতির জন্য ও এই পদক্ষেপ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আসলে আমি বিশ্বাস করি, সিনেমা মূলত একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা, বোঝাপড়া এবং একে অপরের প্রতি সম্মানের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে থাকে।'
'অনির্বাণ আমার সাবজেক্ট নয়..'
এই বিষয়ে এবিপি আনন্দকে দেব বলেন, 'একের পর এক চ্যানেল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, কাজ কীভাবে বাড়বে? তার ওপর যদি আমরা একে অপরকে ব্যান করতে শুরু করি.. তাহলে চলবে কি করে? অনির্বাণ আমার সাবজেক্ট নয়। আমার লক্ষ্য হচ্ছে কীভাবে টেকনিশিয়ান্সদের রোজগার বাড়াব। প্রত্যেকটা মানুষ যেন কাজ করার সুযোগটা পায়। ইন্ডাস্ট্রিকে বলা হয় কাঁকড়ার জাত, বলা হয় বাঙালিই বাঙালির শত্রু.. এই ধারণাটা বদলাতে চাই। ডিরেক্টর্স গিল্ড তাঁদের কেস তুলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। এর মধ্যে কেউ ছোট বা বড় হচ্ছে না। নির্বাচন চলছে, আমি বেশি কিছু বলতে পারছি না, বলতে চাইছি ও না। তবে সবাই ঘুরে ফিরে এক দল করে। ৪ তারিখটা বেরিয়ে য়াক, আমরা আরও বিশদে আলোচনা করব, কীভাবে কাজটা বাড়াতে পারি।'






















