Kanchan-Sreemoyee: 'একটা অগোছালো ছেলের জীবনকে গুছিয়ে নিয়েও যে সংসার করানো যায়..' শ্রীময়ীর উদ্দেশে স্বীকারোক্তি কাঞ্চনের
Kanchan Mallick Marriage: সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন শ্রীময়ী কাঞ্চনের উদ্দেশে লিখেছেন লম্বা চিঠি, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে শিবরাত্রি পালনের ছবি শেয়ার করে মনের কথা লিখেছেন কাঞ্চন ও। কী লিখেছেন তিনি?

কলকাতা: আজ তাঁদের বিবাহবার্ষিকী। পায়ে পায়ে বছর ঘুরেছে তাঁদের বিয়ের। আর এই বিয়েই যেন বদলে দিয়েছে জীবন। কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mallick) আর শ্রীময়ী চট্টোরাজ (Sreemoyee Chottoraj) -একে অপরের সঙ্গে ভীষণ ভাল রয়েছেন। তাঁদের কোল আলো করে এসেছে ছোট্ট কৃষভি। তাঁদের একরত্তি মেয়ে। আজ তাঁদের বিবাহবার্ষিকী। সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন শ্রীময়ী কাঞ্চনের উদ্দেশে লিখেছেন লম্বা চিঠি, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে শিবরাত্রি পালনের ছবি শেয়ার করে মনের কথা লিখেছেন কাঞ্চন ও। কী লিখেছেন তিনি?
সোশ্যাল মিডিয়ায় কাঞ্চন লিখেছেন, 'একটা ছেলের অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে নিয়ে, তার জীবনটাকে সঠিক করে, তাকে দিয়েও সংসার করানো যায়, তাকেও সংসারি বানানো যায়, এটা তোমার জন্য সম্ভব শ্রীময়ী, তুমি আমার জীবনে না এলে আমি জানতাম না যে এভাবে পরিবারকে নিয়ে বাঁচা যায়, এইভাবেও নিজের একটা জগৎ তৈরি করা যায়,আমি শুধু একটা বছরের জন্য নয়, আমি সারা জীবনের জন্য তোমাকে বলতে চাই শুভ বিবাহ বার্ষিকী।'
View this post on Instagram
অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীময়ী লিখেছেন, 'দেখতে দেখতে একটা বছর পার হয়ে গেল, আমি তো এখনো বিশ্বাসই করতে পারছি না যে সেই দিনে ক্লাস নাইনে পড়ি আমি তোমার সাথে আলাপ হয়েছিল, তারপর ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, গভীরতা,আর বিশ্বাস নিয়ে বন্ধুত্বের হাত ধরতে ধরতে কখন যে চার হাত এক হয়ে গেল আমি নিজেও বুঝতে পারিনি, আমি কিনা এক সময় বলতাম আমি বিয়ে করব না কোনদিনও, সেই মেয়ে একজন সন্তানের মা হয়ে গেলাম। আমি ঈশ্বরকে কি বলে ধন্যবাদ দেব জানি না, তোমায় ধন্যবাদ দিলেও কম বলা হবে ঈশ্বরকে, তাই আমি ঈশ্বরকে ভালোবাসি, আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ, তুমি ছিলে এবং আছো বলে আমার জীবনটা এত সুন্দরভাবে সাজিয়ে দিয়েছো, তুমি ছিলে বলেই আমি কাঞ্চনের মতো মানুষকে আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি, আমার সন্তানের বাবা হিসেবে পেয়েছি, অনেক শ্রদ্ধা ,সম্মান ও ভালোবাসা কাঞ্চন তোমাকে, তুমি আমাকে যা সম্মান, ভালোবাসা দিয়েছো, হয়তো আমারটা কম হয়ে যাবে,আমি তোমাকে বিয়ে না করলে জানতেই পারতাম না বুঝতেও পারতাম না এত সুন্দর ভাবেও জীবন কাটানো যায় ,এত সুন্দরভাবেও জীবনকে যাপন করা যায়। এত সুন্দর ভাবে মাতৃত্বের আনন্দ উপভোগ করা যায়, তোমার ভালবাসায় আমি আজ পরিপূর্ণ। শুধু একটাই কথা বলব আমার বিবাহ বার্ষিকীর বেস্ট গিফ্টটা তুমি আমায় উপহার হিসেবে দিয়ে দিয়েছো। পৃথিবীর যত দামি দামি উপহার আছে তাদের মূল্য হার মেনে যাবে আমার কাছে ,কারণ আমি আমার জীবনের সবচেয়ে দামি উপহারটা তোমার কাছে থেকে পেয়েছি সেটা হলো আমাদের কৃষভি। যে কিনা আমার কাছে প্লাটিনামের থেকেও বেশি দামি। তোমাদের ভালোবাসায় আমি এভাবেই বাঁচতে চাই। তোমায় ভালবাসি মাম্মা।'
আরও পড়ুন: Parno Mitra: সবুজ রঙের পার্নো, শি হাল্কের সঙ্গে তুলনা করে চূড়ান্ত ট্রোলিং নায়িকাকে নিয়ে






















