Kunal Kamra: ইউটিউবে লক্ষ টাকার অনুদান, আইনি খরচ জোগানোর আশ্বাস ! বিতর্কের মধ্যেও কুণাল কামরার পাশে অনুরাগীরা !
Kunal Kamra Controversy: মুম্বইয়ের হ্যাবিট্যাট স্টুডিয়োতে শ্যুট করা একটি ভিডিয়োতে কুণাল মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেকে কটাক্ষ করেন আর তাই নিয়েই বিতর্ক চরমে ওঠে।

মুম্বই: একটি স্ট্যান্ড আপ কমেডি শোয়ের ভিডিয়ো ইউটিউবে আপলোডের পর থেকেই চরম বিতর্কের কেন্দ্রে কৌতুকশিল্পী কুণাল কামরা (Kunal Kamra)। সেই ভিডিয়োতে দেশের রাজনৈতিক অবস্থাকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। সেই ভিডিয়োতে মহারাষ্ট্রের একনাথ শিণ্ডেকে নাম না করে কটুক্তি করেছেন বলেই চটে গিয়েছে শিবসেনা দল আর তার জেরে কুণাল কামরার স্টুডিয়ো ভাঙচুর করা হয়। পরপর আসতে থাকে হুমকি ফোন, দায়ের হয় একাধিক এফআইআর। এই পরিস্থিতিতে ভারতে এবং বিদেশে কুণাল কামরার সমর্থক অনুরাগীরা অনুদান দিয়ে চলেছেন কৌতুকশিল্পীকে এবং জানিয়েছেন যে কোনও পরিস্থিতিতে তারা পাশে আছেন কুণালের।
একনাথ শিণ্ডেকে কটাক্ষ করার পরে যে চরম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় কুণাল কামরাকে, তার পর থেকে ইউটিউবে ৪০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দিয়ে এসেছেন বহু ভারতীয় অনুরাগী। তাছাড়া বিদেশি সমর্থকদের (Kunal Kamra) অনেকেই এই অনুদান দিয়েছেন। কয়েক লক্ষ টাকা অনুদান জমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। অনেক অনুরাগী সমর্থক চাইছেন যাতে কুণাল কামরা প্রকাশ্যেই ফান্ড সংগ্রহ করতে শুরু করেন, নির্ভীক কমেডির জন্য যে কোনও রকম আইনি খরচ বহনের আশ্বাস দিয়েছেন অনুরাগীরা।
এক নেটিজেন এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, 'কেউ একজন ৪০০ ডলার অনুদান দিয়েছেন, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকা। কুণাল কামরার এই নতুন শো অনেকের মন ছুঁয়ে গেছে। ইউটিউব ভিডিয়োর মাধ্যমে বহু মানুষ টাকা দিচ্ছেন। যদিও কুণাল (Kunal Kamra) নিজে কিছুই দাবি করেননি।' ইউটিউবের সুপার থ্যাঙ্কস ফিচার ব্যবহার করছেন ভারতীয় অনুরাগীরা। এর মাধ্যমে ৪০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া যায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। ইউটিউবে কুণাল কামরার সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ২.৫ মিলিয়ন।
মুম্বইয়ের হ্যাবিট্যাট স্টুডিয়োতে শ্যুট করা একটি ভিডিয়োতে কুণাল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেকে কটাক্ষ করেন। ১৯৯৭ সালের 'দিল তো পাগল হ্যায়' ছবির বিখ্যাত গান 'ভোলি সি সুরত'-এর প্যারোডি করেছিলেন তিনি। আর এখানেই শিবসেনার নেতাকে 'গদ্দার' বলে কটাক্ষ করেন কুণাল। এর এর জেরে কুণালের স্টুডিয়োতে এসে ভাঙচুর করেন শিবসেনার লোকেরা। এই ঘটনাকে সমর্থন করে একনাথ শিণ্ডে তাঁর দলের লোকেদের পক্ষ নিয়ে জানান, 'প্রত্যেক ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়া রয়েছে'।
কুণালকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তোলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্য়মন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। কিন্তু এক্স হ্যান্ডলে বিবৃতি দিয়ে কুণাল জানিয়ে দেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। কুণাল লেখেন, ‘যাঁরা এই সার্কাস নিয়ে খবর করছেন, সেই সব সংবাদমাধ্যমকে বলব, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ভারতের স্থান ১৫০। আমি ক্ষমা চাইব না। আমি যা বলেছি, অজিত পওয়ার (প্রথম উপমুখ্যমন্ত্রী) একনাথ শিন্ডে (দ্বিতীয় উপমুখ্যমন্ত্রী) সম্পর্কে একই কথা বলেছেন। আমি এই ভিড়কে ভয় পাই না এবং খাটের নীচে লুকিয়েও থাকব না, উত্তেজনা থিতিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করব না’।






















