Ahmedabad Plane Crash: বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে জরুরি বার্তা আমদাবাদের পুর কমিশনারের, কোথায় দাঁড়িয়ে উদ্ধারকাজ ?
Ahmedabad Municipal Commissioner On Plane Crash : বিমান বিপর্যয়ের পর জরুরি বার্তা আমদাবাদের পুর কমিশনারের, উদ্ধারকাজে কী কী ব্যবস্থা ?

নয়াদিল্লি: বিমান বিপর্যয়ের পর অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে চলছে উদ্ধার কাজ। পাশাপাশি নিহতদের ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড়ে পরিবারকে যাতে উদভ্রান্তের মতো ছুটোছুটি করতে না হয়, সেদিকটাও খেয়াল রাখা হয়েছে, বলেন আমদাবাদের পুর কমিশনার।
আরও পড়ুন, পাখির চোখ ২৬-র ভোট, ফের মোদিকে রাজ্য়ে আনতে চায় বঙ্গ BJP, ঘর গোছাতে বৈঠক সুকান্তদের
সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে খবর, আমদাবাদের পুর কমিশনার বাঞ্ছা নিধি পানি বলেন, আমরা নিশ্চিত করেছি এবিষয়ে, যাতে নিহতদের ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করতে যেনও নানা অফিসে ছুটোছুটি করতে না হয় স্বজনহারাদের। একটি Single Window Sytem গঠন করা হয়েছে। গুজরাতের রাজ্য প্রশাসন হাসপাতালেই শংসাপত্রের ব্যবস্থা করেছে।'
পুর কমিশনার আরও বলেন, ১০১ টি অগ্নিনির্বাপন গাড়ি সেখানে মজত করা হয়েছিল । ছিল ১০০ টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স। যার মধ্যে ৩৫ টি বেসরকারি। জেসিবি-ক্রেন সহ ৪৬ টি যন্ত্র সামগ্রী উদ্ধার কার্যে নিযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে বিমানের ডানা এমনভাবেই পড়েছে, যা অ্যাম্বুলেন্সের যাতায়াতের পথে বাধা সৃষ্টি করছিল। তবে তাও এবার সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকার্যে যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, সে কারণে ১০০ টিরও বেশি LED লাইটের ব্যবস্থা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।
ভয়াবহ বিমান বিপর্যয়ের পর একটাই প্রশ্নটা এখনও সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। কেন? ড্রিমলাইনারে স্বপ্নভঙ্গের কারণ কী? কার ভুলে প্রাণ গেল এতগুলো সাধারণ মানুষের? এর মধ্য়েই আবার সংবাদসংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ন্যাশনাল এয়ারোস্পেস ল্যাবরেটরির প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর শালিগ্রাম মুরলীধর। তাঁর দাবি, আমদাবাদের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে দূষিত জ্বালানি।
ন্যাশনাল এয়ারোস্পেস ল্যাবরেটরির প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর শালিগ্রাম মুরলীধর বলেন, ২টি ইঞ্জিন একসঙ্গে খারাপ হয়েছে, যেটা বিমানটিকে উড়তে বাধা দিয়েছে, আমার মনে হয়, এর কারণ হতে পারে দূষিত জ্বালানি। ২টি ইঞ্জিন একইসঙ্গে বিকল হওয়ার এটা একটা বড় কারণ বলে আমার মনে হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, যান্ত্রিক ত্রুটি? মানুষের ভুল? না কি নাশকতা? কেন টেক অফ করেই আছড়ে পড়ল ড্রিমলাইনার ৭৮৭-৮?
অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা প্রধান অরূপ রাহা বলেন, মনে হচ্ছে, ইঞ্জিনগুলি ক্ষমতা হারিয়েছিল। তার ফলে সেই কঠিন সময়ে যখন সদ্য টেক অফ করল, গতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। স্পিড খুব কম, হাইট কম হাইট আর স্পিড ছাড়া না একটা জাহাজকে রিকভার করা একটা ইমার্জেন্সিতে খুব মুশকিল। দু'টোই যখন এত কম ছিল তখন যদি ক্ষমতা হারায় তখন জাহাজকে রিকভার করা খুবই মুশকিল। এই শক্তি হারানোর জন্য়ে বিমানটি ওড়ার ক্ষমতা হারায়। এটা উড়তে পারেনি। এটা নীচে ভেঙে পড়ে।






















