USA Iran War: 'আর নয়, ইরানে এবার যে কোনও দিন হামলা', ফের যুদ্ধের ডাক ট্রাম্পের! ভয়ঙ্কর প্রভাব বিশ্বে
ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমি আশা করি আমাদের যুদ্ধে যেতে হবে না, কিন্তু হয়তো তাদের ওপর আরেকটি বড় আঘাত হানতে হতে পারে।”

নয়া দিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘনীভূত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার সম্ভাব্য দিনক্ষণ ঘোষণা করতেই আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে খুব দ্রুত বড়সড় হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। তাঁর দাবি, হামলার সিদ্ধান্ত থেকে মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিলেন তিনি, যদিও আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা নিয়েই মূলত আমেরিকার এই কড়া অবস্থান। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরান যদি নতুন সমঝোতায় রাজি না হয়, তাহলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে। এমনকী সপ্তাহান্ত বা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই হামলার সম্ভাবনার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন, পঞ্চায়েতে স্পেশাল অডিট, প্রধান থেকে BDO- ধরা পড়লেই এবার... দিলীপের কড়া হুঁশিয়ারি
ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমি আশা করি আমাদের যুদ্ধে যেতে হবে না, কিন্তু হয়তো তাদের ওপর আরেকটি বড় আঘাত হানতে হতে পারে।” তিনি কতদিন অপেক্ষা করবেন জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় দুই বা তিন দিন, হয়তো শুক্র, শনি বা রবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতে কিছু একটা ঘটতে পারে। এটি সীমিত সময়ের জন্য হবে।”
অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরানের দাবি, নতুন করে হামলা হলে “কঠোর সামরিক জবাব” দেওয়া হবে। একইসঙ্গে তারা আমেরিকার কাছে একাধিক শর্তও রেখেছে। যার মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধক্ষতির ক্ষতিপূরণ।
ট্রাম্প সোমবার দাবি করেছেন যে, তিনি মঙ্গলবার ইরানের ওপর আরেকটি বড় হামলার পরিকল্পনা করছিলেন, কিন্তু সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অনুরোধে তা স্থগিত করেছেন। তিনি এর আগেও পাকিস্তানের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্ররোচনায় নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন।
এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারের উপরে পৌঁছে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।
বিশ্ব রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কি কূটনৈতিক সমাধান হবে, নাকি নতুন করে যুদ্ধের আগুনে জ্বলবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য?
সেরা শিরোনাম























