Himachal Pradesh News: খারাপভাবে স্পর্শের অভিযোগ, একযোগে সরব ২৪ ছাত্রী ; গ্রেফতার শিক্ষক ! সাসপেন্ডও
Teacher Arrested: একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করা হয়েছে। এর মধ্য়ে রয়েছে POCSO ধারাও।

সিরমৌর (হিমাচলপ্রদেশ) : ২৪ জন ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করল পুলিশ। একটি মিটিংয়ে অঙ্কের শিক্ষকের বিরুদ্ধে একযোগে ছাত্রীর অভিযোগ জানালে ঘটনাটি সামনে আসে। হিমাচলপ্রদেশের ওই শিক্ষককে তিন দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করা হয়েছে। এর মধ্য়ে রয়েছে POCSO ধারাও।
হিমাচলপ্রদেশের সিরমৌর জেলায় একটি সরকারি স্কুলে 'শিক্ষা সংবাদ' অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় প্রিন্সিপ্যালের কাছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রীরা। এনিয়ে লিখিত অভিযোগও জানায় তারা। তাদের অভিযোগ, অঙ্কের শিক্ষক খুব খারাপভাবে তাঁদের স্পর্শ করে। বিষয়টি সামনে আসার পরই অভিভাবকদের ডেকে পাঠানো হয়। জানা যায়, তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে এই ঘটনার কথা তাঁরাও জানেন না। বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। তাঁরা স্কুল ম্যানেজমেন্ট ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান। ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ডিরেক্টর অফ স্কুল এডুকেশন এটিকে "গুরুতর এবং সংবেদনশীল" বিষয় বলে অভিহিত করে সিরমৌরের ডেপুটি ডিরেক্টর অফ এলিমেন্টারি এডুকেশন-কে অবিলম্বে এই বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একটি চিঠিতে ডিরেক্টর নির্দেশ দিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে ওই স্কুল পরিদর্শনে যেতে। ছাত্রী, শিক্ষক এবং অন্য কর্মীদের বক্তব্য রেকর্ড করতে হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁর অফিসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে।
সিরমৌরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যোগেশ রোলতা বলেছেন, বিষয়টি গুরুতর এবং অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, "বিবৃতি রেকর্ড করা হয়েছে এবং আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনও সম্পন্ন করেছি।" রবিবার সন্ধেয় অভিযুক্তকে স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয় এবং তাঁকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০১৮ সালে বিহারে এরকমই একটি ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। দ্বারভাঙার একটি স্কুলের শিক্ষক ও প্রিন্সিপ্যালের বিরুদ্ধে স্কুলের ছাত্রীরা অভিযোগ জানায়, তাদের জোর করে স্কুলের মধ্যে অশ্লীল ভিডিও দেখানো হয়। তারপর তাদের ওপর যৌন হেনস্থা চালানো হয়। এই মর্মে তারা পুলিশে অভিযোগও দায়ের করে। এটি পাবলিক স্কুল। সেখানকার সাব ডিভিশনাল আধিকারিক জানান, থানায় এফআইআর দায়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। স্কুলের তিন পড়ুয়া অভিযোগটি দায়ের করে। ছাত্রীদের অভিভাবকরাও স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ আনেন। এমনকী এই ঘটনার কথা জানানোর পর স্কুলের অধ্যক্ষ কোনওরকম ব্যবস্থাগ্রহণের ইচ্ছাও দেখাননি বলে অভিযোগে জানান ছাত্রীদের অভিভাবকরা।






















