Hyderabad Horror: 'আমি প্রেম করলে তোমার কীসের সমস্যা?', প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মাকে নৃশংসভাবে খুন দশম শ্রেণির পড়ুয়ার
মেয়ের প্রেমে অখুশি মা, 'তোমার এত সমস্যা কীসের?' প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মাকেই খুন ক্লাস টেনের পড়ুয়ার

নয়া দিল্লি: প্রথমে লুকিয়েই চলছিল প্রেম। কিন্তু মায়ের চোখকে ফাঁকি দিতে পারেনি মেয়ে। মা যখন এই বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তিনি মেয়েকে বোঝানোর এবং ধমক দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর এতেই বাড়ে বিপদ। শুধু বিপদ নয়, মাকেই একেবারে শেষ করে দিল মেয়ে।
তেলেঙ্গানার মেদচল জেলায় নিজের ৩৯ বছর বয়সি মাকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে এক ১৬ বছরের স্কুলছাত্রী। প্রেমিক পাগিল্লা শিবা (১৯) ও তার ভাই পাগিল্লা যশবন্ত (১৮)-এর সঙ্গে মিলে ওই কিশোরী তার নিজের মাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে এবং পরে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করেই নিজের মাকে খুন করে বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে অঞ্জলি যখন ঘুমাচ্ছিলেন, তখন অভিযুক্তরা তার উপর আক্রমণ করে। প্রথমে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়, তারপর লোহার রড দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করা হয়। ঘটনার পর, তিন অভিযুক্তই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়, তবে পুলিশ শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করে।
তিনজনের বিরুদ্ধেই মামলা রুজু হয়েছে এবং বর্তমানে অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গোটা ঘটনার পিছনে কী কারণ ছিল ও ঘটনার বিবরণ জানার চেষ্টা চলছে।
অঞ্জলির বড় বোন মঞ্জু সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান যে, "মেয়েটি গত মাসে ফেসবুকে শিব নামে এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং ৫ দিন আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। যার ভিত্তিতে অঞ্জলি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। মেয়ে মাকে এও বলেছিল যে আমি প্রেম করলে তোমার কীসের সমস্যা। অনুসন্ধানের সময়, শিবের সঙ্গে মেয়েটির দেখা মেলে, যার ভিত্তিতে অঞ্জলি পুলিশকে তার মেয়ের ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে বলেন। পুলিশ ২৪ মঙ্গলবার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার আশ্বাস দেয়। এরপর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে তার মাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।' মঞ্জু তার বোনের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করে।
এই ঘটনা কেবল অপরাধের ক্রমবর্ধমান নৃশংসতাই নয়, যুবকদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসংবেদনশীলতাও প্রকাশ করে। অভিযোগ, প্রেমে বাধা দেওয়াতেই রাগে এমন নৃশংস কাণ্ড ঘটিয়েছে ওই পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, তাকে সাহায্য করেছে তার প্রেমিক ও প্রেমিকের ভাই।






















